আলতা সিঁদুরে 'মাতৃ বরণ' !! আয়োজনে নরেন্দ্রনাথ !!
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
শরতের উৎসবী আকাশ যখন আগমনীর সৌরভে মাতোয়ারা, সেই উৎসবের স্বর্গীয় সুষমাকে প্রতিটি মায়ের হৃদয় মন্দিরে স্থায়ী আসনে অভিষিক্ত করতে এক বর্ণময় শারদ ভাবনা উপস্থাপিত করলেন পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার মানবিক বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।কৈলাশ বাসিনী দেবী মহামায়াকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বরণের প্রাক্কালে তাঁর বিধানসভা এলাকার চিন্ময়ী মায়েদের শাস্ত্রীয় আচারে বরণ করার এক মহাযজ্ঞ শুরু করলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি। শুক্রবার পাণ্ডবেশ্বরের ‘কলরব’ প্রেক্ষাগৃহে মহিলা তৃণমূলের কর্মীদের নিয়ে পরিকল্পনার নকশা তৈরি করা হয় প্রাক পূজার এক মেগা কর্মসূচির।প্রতি বছরই শারদোৎসবের সর্বজনীনতার দিব্য জ্যোতি সকল মায়েদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ‘বসন পরো মা’ নামে এক মানবিক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ বছরও তাঁর বিধানসভা এলাকার ৬০ হাজার মায়ের হাতে নববস্ত্র তুলে দেবার এক মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। সেই মানবিক কর্মসূচি চলার মধ্যেই বিধায়ক তাঁর বিধানসভা এলাকার প্রায় ২৫ হাজার এয়োস্ত্রী-র হাতে আলতা, সিঁদুর ও বিন্দি তুলে দেবার পরিকল্পনা করেন।
তাঁর বিধানসভা এলাকাস্থিত দুটি ব্লক,পাণ্ডবেশ্বর ও দুর্গাপুর ফরিদপুর।নরেন্দ্রনাথ বাবু এ দুটি ব্লকের প্রতিটি অঞ্চলের মহিলা তৃণমূল কর্মীদের হাতে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন ঢাকের বাদ্য, মঙ্গলশঙ্খ ও উলুধ্বনি সহযোগে চিন্ময়ী দুর্গাদের হাতে আলতা, সিঁদুর পৌঁছে দেবার। তাঁদের প্রিয় নরেনদার দেওয়া এই দায়িত্ব উপস্থিত মহিলারা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মাথায় তুলে নেন।নরেন্দ্রনাথ বাবু বলেন, পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার একজন মায়ের মনেও যেন কোনরকম আক্ষেপ না থাকে। তিনি বলেন, ‘বসন পরো মা’ অনুষ্ঠানে কোথাও কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তিনি নতুন করে মায়েদের হাতে নববস্ত্র তুলে দেবেন।যাতে একজন মায়েরও আশীর্বাদ থেকে তাঁর বিধানসভা এলাকা বঞ্চিত না হন তা সুনিশ্চিত করতেই তাঁর এই অঙ্গীকার। বিধায়ক বলেন, মহিলা তৃণমূলের জন্য তাঁর বিধানসভা এলাকায় প্রয়োজনে অত্যাধুনিক দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করে দেওয়া হবে। যাতে বিধানসভা এলাকার প্রত্যেক মহিলা রাজ্য সরকারের ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’, ‘বিধবা ভাতা’, ‘বার্ধক্য ভাতা’ ইত্যাদি মানবিক প্রকল্প গুলির সুবিধা পাচ্ছেন কিনা সেই বিষয়গুলি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে পারেন। এই কাজগুলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিধায়ক প্রত্যেক এলাকায় সুনির্দিষ্ট ভাবে স্থানীয় নেত্রীদের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করেন। নরেন্দ্রনাথ বাবু বলেন, মহাপুজোর মহোৎসবে আনন্দের ঝর্ণাধারা সকলের মধ্যে যাতে সমানভাবে বর্ষিত হয়, প্রত্যেক মা যাতে দেবী মহামায়াকে অন্তরের আকুতি নিয়ে বরণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই আগামী রবিবার মহালয়ার পুণ্যদিনে আলতা সিঁদুর প্রদানের কর্মসূচি শুরু করা হবে।নরেন্দ্রনাথ বাবুর এই উদ্যোগে খনি শিল্পাঞ্চলের আকাশ বাতাসে যেন নতুন করে ধ্বনিত হল ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’র আনন্দময় এক মহাসঙ্গীত।
তাঁর বিধানসভা এলাকাস্থিত দুটি ব্লক,পাণ্ডবেশ্বর ও দুর্গাপুর ফরিদপুর।নরেন্দ্রনাথ বাবু এ দুটি ব্লকের প্রতিটি অঞ্চলের মহিলা তৃণমূল কর্মীদের হাতে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেন ঢাকের বাদ্য, মঙ্গলশঙ্খ ও উলুধ্বনি সহযোগে চিন্ময়ী দুর্গাদের হাতে আলতা, সিঁদুর পৌঁছে দেবার। তাঁদের প্রিয় নরেনদার দেওয়া এই দায়িত্ব উপস্থিত মহিলারা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মাথায় তুলে নেন।নরেন্দ্রনাথ বাবু বলেন, পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার একজন মায়ের মনেও যেন কোনরকম আক্ষেপ না থাকে। তিনি বলেন, ‘বসন পরো মা’ অনুষ্ঠানে কোথাও কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তিনি নতুন করে মায়েদের হাতে নববস্ত্র তুলে দেবেন।যাতে একজন মায়েরও আশীর্বাদ থেকে তাঁর বিধানসভা এলাকা বঞ্চিত না হন তা সুনিশ্চিত করতেই তাঁর এই অঙ্গীকার। বিধায়ক বলেন, মহিলা তৃণমূলের জন্য তাঁর বিধানসভা এলাকায় প্রয়োজনে অত্যাধুনিক দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করে দেওয়া হবে। যাতে বিধানসভা এলাকার প্রত্যেক মহিলা রাজ্য সরকারের ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’, ‘বিধবা ভাতা’, ‘বার্ধক্য ভাতা’ ইত্যাদি মানবিক প্রকল্প গুলির সুবিধা পাচ্ছেন কিনা সেই বিষয়গুলি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখতে পারেন। এই কাজগুলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিধায়ক প্রত্যেক এলাকায় সুনির্দিষ্ট ভাবে স্থানীয় নেত্রীদের হাতে দায়িত্ব অর্পণ করেন। নরেন্দ্রনাথ বাবু বলেন, মহাপুজোর মহোৎসবে আনন্দের ঝর্ণাধারা সকলের মধ্যে যাতে সমানভাবে বর্ষিত হয়, প্রত্যেক মা যাতে দেবী মহামায়াকে অন্তরের আকুতি নিয়ে বরণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই আগামী রবিবার মহালয়ার পুণ্যদিনে আলতা সিঁদুর প্রদানের কর্মসূচি শুরু করা হবে।নরেন্দ্রনাথ বাবুর এই উদ্যোগে খনি শিল্পাঞ্চলের আকাশ বাতাসে যেন নতুন করে ধ্বনিত হল ‘বাজলো তোমার আলোর বেণু’র আনন্দময় এক মহাসঙ্গীত।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
