রজতজয়ন্তীতে ইন্দোরের গণেশ টেম্পল আদলে মণ্ডপ
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
হুগলি: শিবপুর ঠাকুরবাড়ি রাজবাড়ির দুর্গাপুজো একসময় ছিলো প্রাচীনতম ও জাঁকজমকপূর্ণ পুজো। জানা যায়, প্রায় দু’শো বছরেরও বেশি পুরনো ঐতিহ্য বহন করে এই পুজো। তবে রাজা ও রাজত্ব হারানোর সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় সেই জৌলুস। কয়েক বছর বন্ধও ছিল পুজো। প্রায় ২৫ বছর আগে শিবপুর প্রদীপ সংঘ এই ঐতিহ্যের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেয়। এরপর থেকেই নতুন রূপে প্রাণ ফিরে পায় দুর্গাপুজো। সংঘের উদ্যোগে মণ্ডপে শুরু হয় পুজোর আয়োজন।এবার এই পুজো রজতজয়ন্তী বর্ষে পা দিল। বিশেষ উপলক্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে ইন্দোরের বিখ্যাত গণেশ টেম্পল মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মনোমুগ্ধকর দুর্গামণ্ডপ। মণ্ডপের ভেতরে বাঁশবেড়িয়া, ত্রিবেণী ও কুন্তিঘাটের মতো ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রগুলির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হবে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ত্রিবেণীর প্রাচীন ঐতিহ্যের ছবির প্রদর্শনী।
রজতজয়ন্তী উপলক্ষে থাকছে নানা আয়োজন— সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুজোর দিনগুলিতে সমবেত ভোজ, উদ্বোধনের দিন এলাকার প্রবীণদের সংবর্ধনা। উদ্যোক্তারা রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষদের দিয়ে পুজো উদ্বোধনের পরিকল্পনা করছেন। পুজোর বাজেট নির্ধারিত হয়েছে প্রায় চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাসে ভরে উঠছে শিবপুর প্রদীপ সংঘের রজতজয়ন্তী দুর্গোৎসব।
রজতজয়ন্তী উপলক্ষে থাকছে নানা আয়োজন— সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুজোর দিনগুলিতে সমবেত ভোজ, উদ্বোধনের দিন এলাকার প্রবীণদের সংবর্ধনা। উদ্যোক্তারা রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষদের দিয়ে পুজো উদ্বোধনের পরিকল্পনা করছেন। পুজোর বাজেট নির্ধারিত হয়েছে প্রায় চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাসে ভরে উঠছে শিবপুর প্রদীপ সংঘের রজতজয়ন্তী দুর্গোৎসব।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
