বৈঁচিতে বারো মাস পূজিত হন পাথরের জগদ্ধাত্রী !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
হুগলি : জগদ্ধাত্রী পুজোর নাম উঠলেই সবার আগে মনে পড়ে হুগলি জেলার আলোর শহর চন্দননগরের কথা। তবে শুধু চন্দননগর নয়, চুঁচুড়া, ভদ্রেশ্বর, মানকুন্ডু সহ আশেপাশের এলাকাতেও একাধিক জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। এর মধ্যেই জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে সুনাম অর্জন করেছে বৈঁচির ইয়ং স্টার ক্লাবের জগদ্ধাত্রী পুজো। এই পুজো এ বছর ৪৪তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। বৈঁচি রেলগেট সংলগ্ন এই ইয়ং স্টার ক্লাবের পুজোকে স্থানীয়রা ভালোবেসে বলেন ‘আদি মা’ বা ‘বড় মা’, কারণ এটিই বৈঁচির সর্বপ্রথম জগদ্ধাত্রী পুজো বলে পরিচিত। দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে নিষ্ঠা ও ভক্তিভরে হয়ে আসছে এই মায়ের আরাধনা।
এলাকায় প্রায় ২৬টি অনুমোদিত পুজোর মধ্যে ইয়ং স্টার ক্লাবের পুজো আলাদা জায়গা করে নিয়েছে তার ঐতিহ্য, সাজসজ্জা ও ভক্তি ভাবের জন্য। প্রতি বছরের মতো এ বছরও মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাকের সাজে তৈরি হয়েছে প্রায় ২২ ফুট উচ্চতার সাবেকি প্রতিমা। আর সেই সঙ্গে মনোমুগ্ধকর আলোকসজ্জা আকর্ষণ করছে দর্শনার্থীদের। পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য হিমাদ্রি মোদক জানিয়েছেন, “এই পুজো শুধু কয়েক দিনের নয়, আমরা বারো মাসই মায়ের সেবা করি। তাই বৈঁচির জগদ্ধাত্রী আমাদের কাছে কেবল পুজোর দেবী নয়, তিনি আমাদের আদি মা।
এলাকায় প্রায় ২৬টি অনুমোদিত পুজোর মধ্যে ইয়ং স্টার ক্লাবের পুজো আলাদা জায়গা করে নিয়েছে তার ঐতিহ্য, সাজসজ্জা ও ভক্তি ভাবের জন্য। প্রতি বছরের মতো এ বছরও মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাকের সাজে তৈরি হয়েছে প্রায় ২২ ফুট উচ্চতার সাবেকি প্রতিমা। আর সেই সঙ্গে মনোমুগ্ধকর আলোকসজ্জা আকর্ষণ করছে দর্শনার্থীদের। পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য হিমাদ্রি মোদক জানিয়েছেন, “এই পুজো শুধু কয়েক দিনের নয়, আমরা বারো মাসই মায়ের সেবা করি। তাই বৈঁচির জগদ্ধাত্রী আমাদের কাছে কেবল পুজোর দেবী নয়, তিনি আমাদের আদি মা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
