মেলেনি সরকারী সাহায্য, অক্সিজেন ছাড়াই এভারেস্ট জয়ে নজির গড়লেন বঙ্গতনয়া পিয়ালি

0
Piyali set an example of conquering Everest without oxygen

টিভি নিউজ টেন ওয়েবডেস্ক : সাড়া মেলেনি সরকারের। শহরবাসী পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। নাছোড়বান্দা মেয়ের জেদ, এভারেস্টে উঠবেনই। সেই খরচ জোগাতে শেষ পর্যন্ত বাড়ি বন্ধকের সিদ্ধান্ত নেয় চন্দননগরের কাঁটাপুকুরের পিয়ালি বসাক। শেষমেষ জেদকে বাস্তবের রুপ দিলেন। এভারেস্ট জয়ী হলেন বঙ্গতনয়া। গর্বিত চন্দনগরের আমজনতা। পিয়ালির এই সাফল্যে তাঁর পরিবার, স্কুলের সহকর্মী থেকে তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা সকলেই উচ্ছ্বসিত। গর্বিত বঙ্গবাসীও।

আজ সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ চূড়াতে পৌঁছান পিয়ালি। মে মাসের ৩ তারিখে এভারেস্ট জয়ের জন্য রওনা হয়েছিলেন পিয়ালি। বাংলার অন্যান্য পর্বতারোহীরাও পিয়ালির এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। ‘অসাধ্য সাধন’ করেছেন পিয়ালি, এমনটাই বলছেন সকলে। পিয়ালির বাবা-মা দুজনেই অসুস্থ। চন্দননগর কানাইলাল স্কুলের প্যারাটিচার হিসেবে কর্মরত পিয়ালি। কিছুদিন আগেই ধৌলিগিরি শৃঙ্গ জয় করে এসেছেন পিয়ালি। আর্থিক সঙ্কট তো রয়েইছে। পাশাপাশি সরকার তরফে মেলেনি সাহায্য। তবে এই সব বাধা অতিক্রম করে এভারেস্ট জয়ের সাফল্য ছিনিয়ে আনলেন পিয়ালি।

সাধারণত ৮ হাজার ফুট উচ্চতায় বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটাই কম থাকে। তাছাড়া এভারেস্টের মতো জায়গায় তুষারঝড়ে নিশ্বাস নেওয়াটাও কষ্টকর। সেই পরিবেশের মধ্যেও মধ্যে অক্সিজেন ছাড়াই পিয়ালি যেভাবে এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছতে পেরেছেন তাতে অবাক হয়েছেন সকলকেই। শুধু বাংলা নয়, দেশের কোনও মহিলা পর্বতারোহী এর আগে অক্সিজেন ছাড়া এভারেস্টের শিখরে পৌঁছননি বলেই মনে করছেন পর্বতারোহীরা।

আরও পড়ুন : আদলতের নির্দেশে চাকরি খোয়ালেন মন্ত্রীকন্যা, সত্যের জয় হল; বললেন ববিতা