কেরোসিন গোডাউনে বিধ্বংসী আগুন !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
নদিয়া : নবদ্বীপ শহরে শনিবার সকালে কেরোসিন তেল মজুত থাকা একটি গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। নদিয়ার এই ঐতিহাসিক শহরের এক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে অল্প সময়ের মধ্যেই গোডাউনটি দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে এবং আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ঘটনাটি ঘটেছে Idilpur এলাকায়, যা Nabadwip Municipality-এর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ হঠাৎ করেই ওই গোডাউন থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে শুরু করে। স্থানীয়দের দাবি, ওই গোডাউনটিতে বিপুল পরিমাণ কেরোসিন তেল মজুত করে রাখা হয়েছিল। ফলে দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ রূপ নেয়। আগুনের লেলিহান শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া দূর থেকেও দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা। আগুন দেখতে পেয়েই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। আশপাশের বাড়ির মানুষজন দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। অনেকেই আশঙ্কা করতে থাকেন যে আগুন যদি আরও ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে পাশের বাড়ি ও দোকানগুলিও বিপদের মুখে পড়তে পারে। কারণ এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ এবং অনেক বাড়ি একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছে। প্রথমদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। কেউ জল এনে ঢালার চেষ্টা করেন, কেউ আবার বালতি ও পাইপ ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে ওঠে। এরপরই দমকল বিভাগে খবর দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দমকল বাহিনী। কিছু সময়ের মধ্যেই দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নেভানোর কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নেয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দমকল পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রথম দমকল ইঞ্জিনটি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও তা চালু করতে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় আধঘণ্টা সময় লেগে যায় ইঞ্জিনটি সম্পূর্ণভাবে চালু করতে। পরে যখন ইঞ্জিনটি চালু করা সম্ভব হয়, তখন দেখা যায় দুটি নজেলের মধ্যে একটি ঠিকভাবে কাজ করছে না। ফলে আগুন নেভানোর কাজে আরও কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে দমকলকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত অতিরিক্ত সাহায্য চাওয়া হয়। এরপর Krishnanagar থেকে আরও একটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। প্রায় এক ঘণ্টা পরে সেই ইঞ্জিনটি ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
অবশেষে একাধিক দমকল ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এলাকাবাসীরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে গোডাউনের ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ সামগ্রী পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আগুন লাগার সময় যদি গোডাউনের ভেতরে কেউ থাকতেন, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, কেরোসিন তেল মজুত থাকার কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনো অসাবধানতা বা শর্ট সার্কিট থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে উপস্থিত দমকলকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোডাউনে কীভাবে এত পরিমাণ কেরোসিন তেল মজুত করে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই গোডাউনটির প্রয়োজনীয় অনুমতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দাবি করেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এত বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত করে রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাঁদের মতে, প্রশাসনের উচিত এই ধরনের গোডাউনগুলির ওপর কঠোর নজরদারি রাখা, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি না হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দ্রুতগতির করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সব মিলিয়ে বলা যায়, নবদ্বীপের ঈদিলপুর এলাকায় কেরোসিন তেল মজুত থাকা একটি গোডাউনে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। যদিও বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে, তবুও এই ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় মানুষ। এখন তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ধরনের বিপজ্জনক মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
অবশেষে একাধিক দমকল ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। দীর্ঘ সময়ের প্রচেষ্টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এলাকাবাসীরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে গোডাউনের ভেতরে থাকা বিপুল পরিমাণ সামগ্রী পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আগুন লাগার সময় যদি গোডাউনের ভেতরে কেউ থাকতেন, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, কেরোসিন তেল মজুত থাকার কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কোনো অসাবধানতা বা শর্ট সার্কিট থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে উপস্থিত দমকলকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ পরিচালনা করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোডাউনে কীভাবে এত পরিমাণ কেরোসিন তেল মজুত করে রাখা হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই গোডাউনটির প্রয়োজনীয় অনুমতি ছিল কি না এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হচ্ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই দাবি করেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এত বিপুল পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত করে রাখা অত্যন্ত বিপজ্জনক। তাঁদের মতে, প্রশাসনের উচিত এই ধরনের গোডাউনগুলির ওপর কঠোর নজরদারি রাখা, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি না হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও দ্রুতগতির করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সব মিলিয়ে বলা যায়, নবদ্বীপের ঈদিলপুর এলাকায় কেরোসিন তেল মজুত থাকা একটি গোডাউনে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। যদিও বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে, তবুও এই ঘটনা ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখছেন স্থানীয় মানুষ। এখন তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই ধরনের বিপজ্জনক মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
