গঙ্গাসাগরে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
দঃ ২৪ পরগনা : গঙ্গাসাগরে বুধবার সকালে এক বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। দিনের শুরুতেই এমন এক দুঃসাহসিক হামলার ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই বিজেপি নেতাকে প্রথমে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত বিজেপি নেতার নাম ত্রিলোকেশ ঢালি। তিনি বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার প্রাক্তন সেক্রেটারি ছিলেন এবং বর্তমানে দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। স্থানীয় এলাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকাল প্রায় আটটা নাগাদ। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার অন্তর্গত শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ড এবং গঙ্গাসাগর বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি একটি এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। সকালবেলায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত শুরু হওয়ার সময়েই হঠাৎ গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে ত্রিলোকেশ ঢালি বাইকে করে গঙ্গাসাগরের মন্দিরে পূজো দিতে গিয়েছিলেন। পূজো শেষ করে তিনি যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন, ঠিক সেই সময়ই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, বাইকে করে আসা দুই দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর কাছ থেকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। হঠাৎ এই হামলায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলিবিদ্ধ হন ত্রিলোকেশ ঢালি। গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার উপর লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে কয়েকজন এগিয়ে এসে দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি করে তাঁকে গাড়িতে করে নিয়ে যান সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু চিকিৎসকদের পরীক্ষায় জানা যায়, তাঁর শরীরে গুলি আটকে রয়েছে এবং অবস্থাও যথেষ্ট আশঙ্কাজনক। তাই সময় নষ্ট না করে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁর শরীর থেকে গুলি বের করার জন্য বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। সেই কারণেই তাঁকে বড় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকরা নজর রাখছেন।
এদিকে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা রুদ্রনগর বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি কর্মীরা রাস্তা অবরোধও করেন। ফলে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়েছে। দলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী হয়ে ওঠায় বিরোধীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং সেই কারণেই এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের মতে, ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা উচিত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। ঘটনার খবর পেয়ে গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পাশাপাশি সাগর থানার পুলিশও সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাতে হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, হামলাকারীরা বাইকে করে এসেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাই আশপাশের এলাকায় বাইক চলাচলের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ দল গঠন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চালানো হবে। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে দিনের আলোয় এমন গুলি চালানোর ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই ঘটনার নিন্দা করেছেন এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এখন সবার নজর পুলিশের তদন্তের দিকে। তদন্ত শেষ হলে স্পষ্ট হবে এই হামলার পিছনে ঠিক কারা রয়েছে এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে আপাতত গঙ্গাসাগরে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর এই ঘটনায় উত্তেজনা ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা এলাকাজুড়ে।
এদিকে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। পরে তারা রুদ্রনগর বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান। অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি কর্মীরা রাস্তা অবরোধও করেন। ফলে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দায়ী করা হয়েছে। দলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, এলাকায় বিজেপির সংগঠন শক্তিশালী হয়ে ওঠায় বিরোধীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং সেই কারণেই এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা এই ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের মতে, ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা উচিত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। ঘটনার খবর পেয়ে গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পাশাপাশি সাগর থানার পুলিশও সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে। হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে যাতে হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন দিক থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, হামলাকারীরা বাইকে করে এসেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাই আশপাশের এলাকায় বাইক চলাচলের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ দল গঠন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চালানো হবে। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগরের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানে দিনের আলোয় এমন গুলি চালানোর ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা এই ঘটনার নিন্দা করেছেন এবং দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এখন সবার নজর পুলিশের তদন্তের দিকে। তদন্ত শেষ হলে স্পষ্ট হবে এই হামলার পিছনে ঠিক কারা রয়েছে এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে আপাতত গঙ্গাসাগরে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর এই ঘটনায় উত্তেজনা ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা এলাকাজুড়ে।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
