তৃণমূল প্রার্থীর প্রতি সমর্থন উজাড় করার শপথ নিল জামুরিয়া ব্লকের তফসিলি জাতি উপজাতি মোর্চা !!
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
জামুরিয়া : ২০২১ সালের আগে টানা ৪৪ বছর ছিল এই বিধানসভায় বামেদের শাসন। এই দীর্ঘ সাড়ে চার দশকে পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় উন্নয়নের ছিটেফোঁটাও হয়নি। এই বিধানসভার প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষ ন্যূনতম স্বপ্নটুকু পর্যন্ত দেখতে পারতেন না। তাঁদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার অধিকার উপহার দিয়েছেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! তপশিলি জাতি, উপজাতি শ্রেণীর দরিদ্র মহিলাদের হাতে প্রতি মাসে ১৭০০ টাকা করে দিয়ে তাঁদের নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগে কখনো এই পরিবার গুলির মানুষজন ঝাঁ চকচকে তারকা খচিত হাসপাতালে চিকিৎসা করাবেন একথা স্বপ্নও দেখতে পারতেন না। এখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন, সেই কার্ড ব্যবহার করে তাঁরা ওই ধরনের উন্নত হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারছেন। তপশিলী জাতি ও উপজাতির গরিব পরিবারের ছেলেমেয়েরা কখনও স্কুলে যাবার কথা ভাবতেই পারতো না। গত ১৫ বছরে রাজ্যের প্রান্তিক শ্রেণীর পরিবারগুলি থেকে লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে আজ উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারছেন। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জামুরিয়া বিধানসভায় যিনিই প্রার্থী হোন তৃণমূলের, তাঁকেই এই অঞ্চলের সমস্ত তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষজন বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন। মঙ্গলবার জামুরিয়া এক নম্বর ব্লকের তপশিলি জাতি ও উপজাতি মোর্চার সভাপতি দীনময় বাউরির নেতৃত্বে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এমনই অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করা হয়।
দীনময় বাবু বলেন, তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষদের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছেন যিনি, তাঁর নাম রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জামুরিয়া বিধানসভায় প্রায় ৩২ শতাংশ জনসংখ্যা হলেন তপশিলী জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মানুষ। তাঁদের সমস্ত ভোট আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বাক্সে উজাড় করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। দীনময় বাবু বলেন, ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তন হলেও জামুরিয়ায় বাম দুর্গের পতন ঘটে আরও দশ বছর পর অর্থাৎ ২০২১ সালে। গত পাঁচ বছরে এখানকার বিধায়ক হরেরাম সিং পুরো বিধানসভা এলাকার খোল নলচে বদলে দিয়েছেন। অনুন্নয়নের কালো আঁধারে মুখ ঢেকে থাকা এই খনি এলাকাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন বর্তমান বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে দীনময় বাবু বলেন, গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হরেরাম সিং তাঁর বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পূর্ণ করেছেন। এছাড়াও সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে তিন কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা এবং এডিডিএ-র তহবিল থেকে ১৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে এই বিধানসভা এলাকায়। এ থেকেই স্পষ্ট, উন্নয়নের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ এই বিধানসভা এলাকায় শুরু হয়েছে, সেই উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ কখনোই স্তব্ধ হতে দেবেন না এই এলাকার মানুষ। তাই যিনিই এখানকার তৃণমূলের প্রার্থী হবেন, তাঁকেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার শপথ গ্রহণ করেছেন এই বিধানসভা এলাকার সমস্ত তফসিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মানুষজন। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে দীনময় বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সহ সভাপতি রাজু বাউরী, শান্তি বাউরী, সুকান্ত বাউড়ি, মিতুন মাঝি সহ তৃণমূলের তপশিলী জাতি ও উপজাতি মোর্চার প্রথম সারির নেতৃবৃন্দ।
দীনময় বাবু বলেন, তফসিলি জাতি ও উপজাতির মানুষদের মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছেন যিনি, তাঁর নাম রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই জামুরিয়া বিধানসভায় প্রায় ৩২ শতাংশ জনসংখ্যা হলেন তপশিলী জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মানুষ। তাঁদের সমস্ত ভোট আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বাক্সে উজাড় করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। দীনময় বাবু বলেন, ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তন হলেও জামুরিয়ায় বাম দুর্গের পতন ঘটে আরও দশ বছর পর অর্থাৎ ২০২১ সালে। গত পাঁচ বছরে এখানকার বিধায়ক হরেরাম সিং পুরো বিধানসভা এলাকার খোল নলচে বদলে দিয়েছেন। অনুন্নয়নের কালো আঁধারে মুখ ঢেকে থাকা এই খনি এলাকাকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন বর্তমান বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে দীনময় বাবু বলেন, গত পাঁচ বছরে বিধায়ক হরেরাম সিং তাঁর বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্প সম্পূর্ণ করেছেন। এছাড়াও সাংসদ উন্নয়ন তহবিল থেকে তিন কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা এবং এডিডিএ-র তহবিল থেকে ১৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে এই বিধানসভা এলাকায়। এ থেকেই স্পষ্ট, উন্নয়নের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ এই বিধানসভা এলাকায় শুরু হয়েছে, সেই উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ কখনোই স্তব্ধ হতে দেবেন না এই এলাকার মানুষ। তাই যিনিই এখানকার তৃণমূলের প্রার্থী হবেন, তাঁকেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার শপথ গ্রহণ করেছেন এই বিধানসভা এলাকার সমস্ত তফসিলি জাতি ও উপজাতি শ্রেণীর মানুষজন। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে দীনময় বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সহ সভাপতি রাজু বাউরী, শান্তি বাউরী, সুকান্ত বাউড়ি, মিতুন মাঝি সহ তৃণমূলের তপশিলী জাতি ও উপজাতি মোর্চার প্রথম সারির নেতৃবৃন্দ।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
