১৩০টি সিসিটিভির জালে সুরক্ষিত রানীগঞ্জ শহর
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
রানীগঞ্জ : শহরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বসানো হল মোট ১৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা। সোমবার ADPC-র পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী এবং রানীগঞ্জের বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে সিসিটিভি কন্ট্রোল রুমের ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন। জানা গেছে, কিছুদিন আগেই বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়, যার মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ৭০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। পরবর্তী এক মাস ধরে রানীগঞ্জ শহরের ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে এই ক্যামেরাগুলি স্থাপন করা হয়। এর পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে আরও প্রায় ৬০টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে শহরজুড়ে প্রায় ১৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী ও বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই সিসিটিভি ব্যবস্থার ফলে রানীগঞ্জ শহর অনেকটাই নিরাপদ হবে। বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্তের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁর প্রশংসা করেন দু’জনেই।
বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শহরজুড়ে সিসিটিভি বসানোর প্রস্তাব প্রথম তাঁর কাছে দেন রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্ত। সেই প্রস্তাব রাজ্যস্তরে জানানো হলে বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয় এবং প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলির নজরদারির জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, শুধুমাত্র রানীগঞ্জ থানাতেই এই ফুটেজ সীমাবদ্ধ থাকবে না—আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দপ্তর এবং প্রয়োজনে নবান্নের দপ্তরেও মুহূর্তের মধ্যে এই ফুটেজ পৌঁছে যাবে। পুলিশ কমিশনারের দাবি, এর ফলে যে কোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে এবং পুলিশ প্রশাসনের কাজ আরও সহজ হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্ত ছাড়াও ডিসিপি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাস, বল্লভপুর ফাঁড়ির আইসি সৌমেন ব্যানার্জি, পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির আইসি কার্ত্তার সিং, ট্রাফিক পুলিশের ওসি অনন্ত রায় সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী ও বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই সিসিটিভি ব্যবস্থার ফলে রানীগঞ্জ শহর অনেকটাই নিরাপদ হবে। বিশেষ করে মহিলাদের নিরাপত্তার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্তের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁর প্রশংসা করেন দু’জনেই।
বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শহরজুড়ে সিসিটিভি বসানোর প্রস্তাব প্রথম তাঁর কাছে দেন রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্ত। সেই প্রস্তাব রাজ্যস্তরে জানানো হলে বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হয় এবং প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলির নজরদারির জন্য একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, শুধুমাত্র রানীগঞ্জ থানাতেই এই ফুটেজ সীমাবদ্ধ থাকবে না—আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের দপ্তর এবং প্রয়োজনে নবান্নের দপ্তরেও মুহূর্তের মধ্যে এই ফুটেজ পৌঁছে যাবে। পুলিশ কমিশনারের দাবি, এর ফলে যে কোনও সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে এবং পুলিশ প্রশাসনের কাজ আরও সহজ হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্ত ছাড়াও ডিসিপি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাস, বল্লভপুর ফাঁড়ির আইসি সৌমেন ব্যানার্জি, পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির আইসি কার্ত্তার সিং, ট্রাফিক পুলিশের ওসি অনন্ত রায় সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
