একদা কম্পিউটার বিরোধী বামপন্থীরা এখন AI পন্থী, সমালোচনায় বিরোধীরা
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
দুর্গাপুর: অটোমেশন চালু হলে তা শ্রমিকের কাজের অধিকার কেড়ে নেবে। এমনই এক উদ্ভট যুক্তির পাঁজা সাজিয়ে একসময় পশ্চিম বঙ্গে কম্প্যুটার ঢুকতে দেয়নি সিপিএম। সারা বিশ্ব যখন আধুনিক প্রযুক্তির আলোয় নিজেদের অর্থনীতিকে বিকশিত করে চলেছে, তখন কিছু বস্তাপচা অসার যুক্তিকে সামনে রেখে বাংলায় কম্প্যুটারের প্রবেশপথে অবরোধ করে দাঁড়িয়েছিল এই সিপিএম।তবে তাদেরও আজ বিলম্বিত বোধোদয় ঘটেছে। ক্ষমতায় থাকতে কোনদিন তথ্য প্রযুক্তিকে ডালপালা মেলতে না দিলেও বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে সিপিএম একের পর এক বানিয়ে চলেছে তৃণমূল বিরোধী মিমস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কে ব্যবহার করে সিপিএম তাদের দলীয় প্রচারও করে চলেছে। সমাজ মাধ্যমে সেইসব মিমস ও প্রচারবাণী ছড়িয়ে দিয়ে তারা বাংলার রাজনৈতিক আকাশে প্রাসঙ্গিক থাকার মরীয়া প্রয়াসও চালিয়ে যাচ্ছে। সিপিএম এর ভাব পরিবর্তনের ছবিখানি দেখে নিন্দুকেদের অনেকেই বলে থাকেন, সিপিএম কে ময়দানে পাওয়া যায়না। শ্রমিকের অধিকার নিয়ে লড়াই করতে দেখা যায়না তাদের। তবে সমাজ মাধ্যম, টিভিতে সর্বদাই তাদের উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখা যায়। সিপিএম এর এই অত্যধিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভরতা দেখে তাদের কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলা সহ সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যারা একসময় কম্প্যুটার ঢুকতে দেয়নি, তারাই আজ এআই ব্যবহার করে ভিডিয়ো বানিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরোধীতা করছে।
এর চেয়ে নির্লজ্জতার কিছু থাকতে পারেনা। তিনি বলেন, সিপিএম এমনিতেই শূন্যে পৌঁছেছে। এবার মহাশূন্যে বিলীন হবার পথে এই সিপিএম। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, ‘যাক, তবু তো ওদের বিলম্বিত বোধোদয় ঘটল !!’ উজ্জ্বল বাবু বলেন, কম্প্যুটার আর অটোমেশনের বিরোধীতা করে রাজ্যটাকে কয়েকশো বছর পিছিয়ে দিয়ে গেছে বামফ্রন্ট তথা সিপিএম।তবু বলব, যদি সত্যিকারের বোধোদয় আপনাদের ঘটে থাকে, সেক্ষেত্রে তৃণমূলের হাত শক্ত করুন, রাজ্যের উন্নয়ন যজ্ঞে সামিল হোন।তিনি বলেন, মুখে বিজেপির বিরোধীতা করলেও তলে তলে ভোটটা বিজেপিকে দিয়ে আসে এই সিপিএম।এই অভ্যাসটা ত্যাগ করুন। তবে এ বিষয়ে বামেদের দিকে বেশ কিছুটা ঝোল টেনেই তাঁর বক্তব্য পেশ করেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা কংগ্রেসের সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। তিনি বলেন,বামেরা একসময় কম্পুটারের বিরোধীতা করেছিলেন। আজ যদি তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে থাকেন, তাকে স্বাগত জানাচ্ছি।তবে যারা এক সময় পরমানু চুক্তির বিরোধীতা করে কেন্দ্রের সরকার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন,তাদেরও জানতে হবে এই পরমানু শক্তি আগামীদিনে সারা বিশ্বকে পথ দেখাবে। দেবেশ বাবু তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তিনি সম্ভবত বিস্মৃত হয়েছেন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার নয়, প্রথম ইউপিএ সরকার থেকে পরমানু ইশ্যুকে সামনে রেখে এই বামেরাই কংগ্রেস পরিচালিত মনমোহন সিংহের সরকার থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তখন বাইরে থেকে সমর্থন করে সেই সরকারকে বাঁচিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তথ্যগত বিভ্রান্তি ঘটিয়ে দেবেশ বাবু ঠিক কাদের সমর্থন জানিয়েছেন সে বিষয়টি স্পষ্ট নয় ! তবে যাদের বিরুদ্ধে আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে প্রচারের ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠছে, সেই সিপিএম এর জেলা কমিটির সদস্য সিদ্ধার্থ বসু বলেন, সিপিএম কম্প্যুটারের বিরোধীতা করেনি। বিরোধীরা তার ভুল ব্যাখ্যা করেন। তাঁর দাবি, আজ এ রাজ্যে বামেরা ক্ষমতায় থাকলে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুকেও ছাপিয়ে যেত। যা শুনে সমালোচকদের অনেকেই পাল্টা প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর ক্ষমতায় থেকেও ওদের সাধ মেটেনি !! সেই দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকে কতগুলো শিল্প কারখানা বামেরা এ রাজ্যে নিয়ে এসেছিলেন, দয়া করে তার একটা খতিয়ান দেবেন কি !
এর চেয়ে নির্লজ্জতার কিছু থাকতে পারেনা। তিনি বলেন, সিপিএম এমনিতেই শূন্যে পৌঁছেছে। এবার মহাশূন্যে বিলীন হবার পথে এই সিপিএম। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, ‘যাক, তবু তো ওদের বিলম্বিত বোধোদয় ঘটল !!’ উজ্জ্বল বাবু বলেন, কম্প্যুটার আর অটোমেশনের বিরোধীতা করে রাজ্যটাকে কয়েকশো বছর পিছিয়ে দিয়ে গেছে বামফ্রন্ট তথা সিপিএম।তবু বলব, যদি সত্যিকারের বোধোদয় আপনাদের ঘটে থাকে, সেক্ষেত্রে তৃণমূলের হাত শক্ত করুন, রাজ্যের উন্নয়ন যজ্ঞে সামিল হোন।তিনি বলেন, মুখে বিজেপির বিরোধীতা করলেও তলে তলে ভোটটা বিজেপিকে দিয়ে আসে এই সিপিএম।এই অভ্যাসটা ত্যাগ করুন। তবে এ বিষয়ে বামেদের দিকে বেশ কিছুটা ঝোল টেনেই তাঁর বক্তব্য পেশ করেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা কংগ্রেসের সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। তিনি বলেন,বামেরা একসময় কম্পুটারের বিরোধীতা করেছিলেন। আজ যদি তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে থাকেন, তাকে স্বাগত জানাচ্ছি।তবে যারা এক সময় পরমানু চুক্তির বিরোধীতা করে কেন্দ্রের সরকার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন,তাদেরও জানতে হবে এই পরমানু শক্তি আগামীদিনে সারা বিশ্বকে পথ দেখাবে। দেবেশ বাবু তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তিনি সম্ভবত বিস্মৃত হয়েছেন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার নয়, প্রথম ইউপিএ সরকার থেকে পরমানু ইশ্যুকে সামনে রেখে এই বামেরাই কংগ্রেস পরিচালিত মনমোহন সিংহের সরকার থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। তখন বাইরে থেকে সমর্থন করে সেই সরকারকে বাঁচিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তথ্যগত বিভ্রান্তি ঘটিয়ে দেবেশ বাবু ঠিক কাদের সমর্থন জানিয়েছেন সে বিষয়টি স্পষ্ট নয় ! তবে যাদের বিরুদ্ধে আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে প্রচারের ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠছে, সেই সিপিএম এর জেলা কমিটির সদস্য সিদ্ধার্থ বসু বলেন, সিপিএম কম্প্যুটারের বিরোধীতা করেনি। বিরোধীরা তার ভুল ব্যাখ্যা করেন। তাঁর দাবি, আজ এ রাজ্যে বামেরা ক্ষমতায় থাকলে তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুকেও ছাপিয়ে যেত। যা শুনে সমালোচকদের অনেকেই পাল্টা প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন, দীর্ঘ ৩৪ বছর ক্ষমতায় থেকেও ওদের সাধ মেটেনি !! সেই দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকে কতগুলো শিল্প কারখানা বামেরা এ রাজ্যে নিয়ে এসেছিলেন, দয়া করে তার একটা খতিয়ান দেবেন কি !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
