Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
দুর্গাপুর : বিধানসভা নির্বাচনের দিন যত এগোচ্ছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বাংলার রাজনীতি। এবার দুর্গাপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা নর্দমায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ধান্ডাবাগ বাগানপাড়া এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভার প্রস্তুতির সময় পরিকল্পিতভাবে তৃণমূলের দলীয় পতাকা খুলে নর্দমায় ফেলে দেওয়া হয়। রবিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা।
ঘটনাকে তীব্র ভাষায় নিন্দা করে তৃণমূলের দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর পল্লব নাগ ও সুশীল চ্যাটার্জী বলেন, “তৃণমূল কর্মীরা চাইলে আধঘন্টার মধ্যেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। কিন্তু আমরা নোংরা রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। তবে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হব।”অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা দাবি করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মন্ডল বলেন, “তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন নয়। নিজেরাই নিজেদের দলীয় পতাকা নষ্ট করে উত্তেজনা ছড়াতে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। এটাই তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ প্রশাসন।
ঘটনাকে তীব্র ভাষায় নিন্দা করে তৃণমূলের দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর পল্লব নাগ ও সুশীল চ্যাটার্জী বলেন, “তৃণমূল কর্মীরা চাইলে আধঘন্টার মধ্যেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। কিন্তু আমরা নোংরা রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই। তবে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হব।”অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পাল্টা দাবি করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপির মুখপাত্র সুমন্ত মন্ডল বলেন, “তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন নয়। নিজেরাই নিজেদের দলীয় পতাকা নষ্ট করে উত্তেজনা ছড়াতে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। এটাই তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ প্রশাসন।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
