ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক, কংগ্রেসের পথ অবরোধ
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
আসানসোল : আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বৈধ ভোটারদের নাম কোনভাবেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না—এই দাবিকে সামনে রেখে আসানসোলে প্রতিবাদে সরব হল জাতীয় কংগ্রেস। মঙ্গলবার আসানসোলের গুরুত্বপূর্ণ গির্জা মোড় এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন কংগ্রেসের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা। এই ঘটনাকে ঘিরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয় এবং ব্যাহত হয় যান চলাচল। জানা গেছে, এস আই আর বা বিশেষ যাচাই প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। সেই প্রেক্ষিতেই আসানসোলে এদিন প্রতিবাদে নামে জাতীয় কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব। মঙ্গলবার সকালে থেকেই গির্জা মোড় এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা। ধীরে ধীরে সেখানে ভিড় বাড়তে থাকে এবং পরে তারা টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তার উপর বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হন। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, এস আই আর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজ্যের প্রায় ৬০ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাতিল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বহু মানুষের নাম এখনও ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিচারাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলেই দাবি করেন কংগ্রেস নেতারা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়লে বহু মানুষ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না। গণতন্ত্রে ভোটাধিকার একটি মৌলিক অধিকার এবং সেই অধিকার থেকে কাউকে বঞ্চিত করা উচিত নয় বলে দাবি করেন তারা। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতারা। তাদের অভিযোগ, পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে পরিচালিত হয়নি এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রকৃত তথ্য যাচাই না করেই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিক্ষোভ চলাকালীন কংগ্রেস কর্মীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুত্তলিকাও দাহ করেন। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। কুশপুত্তলিকা দাহের মাধ্যমে তারা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।
এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের রাজ্য কমিটির নেতা প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি, শাহ আলম সহ দলের একাধিক স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বহু কর্মী ও সমর্থকও। বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং ভোটারদের অধিকার রক্ষার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। কংগ্রেস নেতা প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি বলেন, এস আই আর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে কোনওভাবেই শুভ নয়। তিনি বলেন, অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং বৈধ ভোটারদের নাম ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা শাহ আলমও একই সুরে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে অভিযোগ উঠছে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো ভোটাধিকার। সেই অধিকার রক্ষার জন্যই তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। এদিকে বিক্ষোভের কারণে কিছু সময়ের জন্য গির্জা মোড় এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। গির্জা মোড় আসানসোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং রাস্তা থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এরপর আবার স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল শুরু হয়। তবে কংগ্রেস নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই আন্দোলন এখানেই থেমে থাকবে না। তাদের দাবি, বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষার জন্য তারা আগামী দিনেও আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথেও হাঁটবে দল। কংগ্রেসের মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিটি ভোটারের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভোটার তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বলেও দাবি করেন তারা। সব মিলিয়ে বলা যায়, এস আই আর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভোটার তালিকা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর সেই আবহেই আসানসোলে কংগ্রেসের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নতুন করে রাজনৈতিক তরজা বাড়িয়ে দিল।
এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের রাজ্য কমিটির নেতা প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি, শাহ আলম সহ দলের একাধিক স্থানীয় নেতৃত্ব। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বহু কর্মী ও সমর্থকও। বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে নেতারা বক্তব্য রাখেন এবং ভোটারদের অধিকার রক্ষার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেন। কংগ্রেস নেতা প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি বলেন, এস আই আর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে কোনওভাবেই শুভ নয়। তিনি বলেন, অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে হবে এবং বৈধ ভোটারদের নাম ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা শাহ আলমও একই সুরে বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে অভিযোগ উঠছে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো ভোটাধিকার। সেই অধিকার রক্ষার জন্যই তারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন। এদিকে বিক্ষোভের কারণে কিছু সময়ের জন্য গির্জা মোড় এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। গির্জা মোড় আসানসোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হওয়ায় সেখানে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্যোগ নেয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং রাস্তা থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এরপর আবার স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল শুরু হয়। তবে কংগ্রেস নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই আন্দোলন এখানেই থেমে থাকবে না। তাদের দাবি, বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষার জন্য তারা আগামী দিনেও আন্দোলন চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথেও হাঁটবে দল। কংগ্রেসের মতে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রতিটি ভোটারের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভোটার তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সতর্কতা বজায় রাখা জরুরি। কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে বলেও দাবি করেন তারা। সব মিলিয়ে বলা যায়, এস আই আর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভোটার তালিকা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আর সেই আবহেই আসানসোলে কংগ্রেসের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি নতুন করে রাজনৈতিক তরজা বাড়িয়ে দিল।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
