পাইকপাড়ায় পরিত্যক্ত ক্লাবে বিস্ফোরণ !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
কলকাতা : আসন্ন ২০২৬ West Bengal Legislative Assembly Election-এর আগে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ যখন ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময়েই Kolkata-র পাইকপাড়া এলাকায় একটি বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার ভোরবেলা ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের একাধিক বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং একটি চারতলা বাড়ির ছাদের টিনের ছাউনি উড়ে গিয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোর প্রায় ছয়টা নাগাদ Paikpara-র গাঙ্গুলি বাগান এলাকায় অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত ক্লাবে আচমকাই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে সেই বিস্ফোরণের শব্দ মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন অনেকেই। বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে আশপাশের বেশ কিছু বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায় বলে জানা গেছে। কিছু বাসিন্দা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধাক্কায় কাছাকাছি একটি চারতলা বাড়ির ছাদের ওপর থাকা টিনের ছাউনি পর্যন্ত উড়ে যায়। ফলে ঘটনাটি কতটা শক্তিশালী ছিল, তা সহজেই অনুমান করা যায়। যদিও বিস্ফোরণের সময় ওই ক্লাবঘরে কেউ উপস্থিত ছিলেন না বলেই জানা গেছে। ফলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। অনেকেই প্রথমে বুঝতে পারেননি কী ঘটেছে। কেউ কেউ ভেবেছিলেন হয়তো ভূমিকম্প হয়েছে কিংবা কোনও বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। পরে এলাকাবাসীরা জানতে পারেন, একটি পরিত্যক্ত ক্লাবঘর থেকেই বিস্ফোরণের শব্দ এসেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় স্থানীয় থানার পুলিশ। পুলিশ আসার পর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয় এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছায় বোম স্কোয়াডের একটি দল। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে আনা হয় স্নিফার ডগও। বিস্ফোরণের প্রকৃতি ও সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালানোর সময় বেশ কয়েকটি বোমা উদ্ধার হয়েছে। ওই বোমাগুলি পরিত্যক্ত ক্লাবঘরের ভেতরেই মজুত রাখা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয়। বোম স্কোয়াডের সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে সেগুলি নিষ্ক্রিয় করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল—এই বোমাগুলি কে বা কারা ওই পরিত্যক্ত ক্লাবঘরে এনে রেখেছিল? কতদিন ধরে সেখানে এগুলি মজুত ছিল? এবং কী উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরকগুলি রাখা হয়েছিল—এই সব বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে ক্লাবের পদাধিকারীদের তরফে একটি গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। তাঁদের দাবি, ওই ক্লাবের জমি দখলের উদ্দেশ্যে কোনও প্রোমোটার চক্র পরিকল্পিতভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে থাকতে পারে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কিছু অসাধু চক্রের নজর ছিল। তাই এই ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রও হতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ। তবে পুলিশ এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, স্থানীয় মানুষের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রমাণ—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। এলাকার অনেক বাসিন্দাই জানিয়েছেন, ওই ক্লাবঘরটি দীর্ঘদিন ধরেই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে সেখানে কী হচ্ছে বা কারা যাতায়াত করছে, তা নিয়ে খুব একটা নজরদারি ছিল না। এই সুযোগেই হয়তো কেউ বা কারা সেখানে বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিল বলে অনুমান করছেন অনেকেই। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হোক এবং পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানো হোক। কারণ, ভোরবেলা এমন একটি বিস্ফোরণের ঘটনা যে কোনও সময় বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারত। বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছে প্রশাসন। পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দলও গঠন করা হতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, কলকাতার পাইকপাড়ায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। যদিও বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটেনি, তবুও বিস্ফোরণের তীব্রতা এবং ঘটনাস্থল থেকে একাধিক বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। এখন সকলের নজর পুলিশের তদন্তের দিকে—এই বিস্ফোরণের পেছনে আসল রহস্য কী, সেটাই সামনে আসার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা এলাকা।
এদিকে ক্লাবের পদাধিকারীদের তরফে একটি গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। তাঁদের দাবি, ওই ক্লাবের জমি দখলের উদ্দেশ্যে কোনও প্রোমোটার চক্র পরিকল্পিতভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে থাকতে পারে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কিছু অসাধু চক্রের নজর ছিল। তাই এই ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রও হতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ। তবে পুলিশ এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেনি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, স্থানীয় মানুষের বক্তব্য এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রমাণ—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। এলাকার অনেক বাসিন্দাই জানিয়েছেন, ওই ক্লাবঘরটি দীর্ঘদিন ধরেই পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে সেখানে কী হচ্ছে বা কারা যাতায়াত করছে, তা নিয়ে খুব একটা নজরদারি ছিল না। এই সুযোগেই হয়তো কেউ বা কারা সেখানে বিস্ফোরক মজুত করে রেখেছিল বলে অনুমান করছেন অনেকেই। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এলাকায় পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হোক এবং পুলিশের নিয়মিত টহল বাড়ানো হোক। কারণ, ভোরবেলা এমন একটি বিস্ফোরণের ঘটনা যে কোনও সময় বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারত। বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই দেখছে প্রশাসন। পুলিশের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ তদন্তকারী দলও গঠন করা হতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, কলকাতার পাইকপাড়ায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। যদিও বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটেনি, তবুও বিস্ফোরণের তীব্রতা এবং ঘটনাস্থল থেকে একাধিক বোমা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে। এখন সকলের নজর পুলিশের তদন্তের দিকে—এই বিস্ফোরণের পেছনে আসল রহস্য কী, সেটাই সামনে আসার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা এলাকা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
