তৃণমূলের ধর্ণা মঞ্চের পাশেই বিজেপির লিফলেট! চাঞ্চল্য ধর্মতলায়!!
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
কলকাতা : কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে গত কয়েকদিন ধরেই ধর্ণা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ধর্ণা মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক এবং দলের বহু নেতা-কর্মী। এই ধর্ণা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আর সেই আবহের মধ্যেই সোমবার ধর্ণা মঞ্চের খুব কাছেই বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট ছড়ানোকে ঘিরে তৈরি হয় তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। জানা গেছে, মেট্রো চ্যানেল এলাকায় যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ণায় বসেছেন, সেই সমগ্র এলাকাটিকে কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে উপস্থিত থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অত্যন্ত জোরদার করা হয়েছে। ধর্ণা মঞ্চের আশেপাশে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী। পাশাপাশি গোটা এলাকায় নজরদারি চালাতে রাখা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং পুলিশি টহলও বাড়ানো হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার ধর্ণা মঞ্চের কাছাকাছি এলাকায় আচমকাই বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি ওই লিফলেট হাতে নিয়ে ধর্ণা মঞ্চের সামনে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যে সেগুলি বিলি করতে থাকেন। সেই লিফলেটগুলিতে উল্লেখ করা ছিল পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে এবং গত ১২ বছরে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিবরণ। বিজেপির ওই লিফলেটগুলি ধর্ণা মঞ্চের আশেপাশে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে এলাকায় হঠাৎই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ধর্ণা মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আগেই সেখানে উপস্থিত পুলিশ দ্রুত তৎপর হয়ে ওঠে। হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লিফলেট বিতরণ করতে দেখে ঘটনাস্থল থেকেই মোট সাতজনকে আটক করা হয়। তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই সাতজনের মধ্যে চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তিনজনকে এখনও আটক করে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুরো ঘটনাটির পেছনে কোনও বড় রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করার উদ্দেশ্যেই সুপরিকল্পিতভাবে এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকা ধর্ণা মঞ্চের কাছাকাছি এলাকায় এই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া নিয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
তবে আটক হওয়া ব্যক্তিদের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা কেউই কোনও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী নন। বরং তাদের প্রতিদিন ১৩০ টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই এলাকায় লিফলেট বিলি করার কাজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের দাবি, বিজেপির পক্ষ থেকেই এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সেই কারণেই তারা সেখানে লিফলেট বিতরণ করতে গিয়েছিলেন। এই দাবি সামনে আসার পর নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের অভিযোগ, গরিব ও অনিচ্ছুক মানুষদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিজেপি এই ধরনের কাজ করাচ্ছে। তাদের মতে, এটি একটি হীন রাজনৈতিক চক্রান্ত এবং এর মাধ্যমে এলাকায় অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যখন নিজে ধর্ণা মঞ্চে উপস্থিত, তখন সেই এলাকায় এভাবে রাজনৈতিক উসকানি দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রো চ্যানেল এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হলেও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে গোটা এলাকা আবার স্বাভাবিক রয়েছে এবং ধর্ণা কর্মসূচিও চলতে রয়েছে আগের মতোই। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত থাকতে পারে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ণা মঞ্চের কাছাকাছি এলাকায় বিজেপির লিফলেট বিতরণকে ঘিরে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তা নতুন করে রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাকে আরও উসকে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশের তদন্তে শেষ পর্যন্ত কী তথ্য সামনে আসে এবং এই ঘটনায় আর কারও নাম জড়িয়ে পড়ে কিনা।
তবে আটক হওয়া ব্যক্তিদের দাবি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা কেউই কোনও রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী নন। বরং তাদের প্রতিদিন ১৩০ টাকা করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই এলাকায় লিফলেট বিলি করার কাজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের দাবি, বিজেপির পক্ষ থেকেই এই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সেই কারণেই তারা সেখানে লিফলেট বিতরণ করতে গিয়েছিলেন। এই দাবি সামনে আসার পর নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের অভিযোগ, গরিব ও অনিচ্ছুক মানুষদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বিজেপি এই ধরনের কাজ করাচ্ছে। তাদের মতে, এটি একটি হীন রাজনৈতিক চক্রান্ত এবং এর মাধ্যমে এলাকায় অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তৃণমূলের নেতাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী যখন নিজে ধর্ণা মঞ্চে উপস্থিত, তখন সেই এলাকায় এভাবে রাজনৈতিক উসকানি দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রো চ্যানেল এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হলেও পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে গোটা এলাকা আবার স্বাভাবিক রয়েছে এবং ধর্ণা কর্মসূচিও চলতে রয়েছে আগের মতোই। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত থাকতে পারে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ণা মঞ্চের কাছাকাছি এলাকায় বিজেপির লিফলেট বিতরণকে ঘিরে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তা নতুন করে রাজ্যের রাজনৈতিক তরজাকে আরও উসকে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পুলিশের তদন্তে শেষ পর্যন্ত কী তথ্য সামনে আসে এবং এই ঘটনায় আর কারও নাম জড়িয়ে পড়ে কিনা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
