কালীঘাটে পুজো দিলেন জ্ঞানেশ কুমার
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
কলকাতা : তিন দিনের গুরুত্বপূর্ণ সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসে সোমবার সকালে কলকাতার অন্যতম প্রাচীন ও পবিত্র তীর্থক্ষেত্র কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। নিরাপত্তার বলয়ে ঘেরা অবস্থায় মন্দিরে প্রবেশ করেন তিনি। প্রশাসনের তরফে আগেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছিল যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। কিন্তু সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সত্ত্বেও মন্দির চত্বরে আগে থেকেই জড়ো হয়েছিল একদল বিক্ষোভকারী। তাঁদের হাতে ছিল কালো পতাকা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁরা “গো ব্যাক” স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে অর্থাৎ SIR বা স্পেশাল ইনক্লুশন রিভিউ প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। বিভিন্ন নথি জমা দেওয়া নিয়ে জটিলতা, প্রশাসনিক জট এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। বিক্ষোভকারীরা জানান, অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষ পর্যাপ্ত নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তুলতে পারছেন না বা নাম সংশোধন করাতে সমস্যায় পড়ছেন। এর ফলে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করতেই কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বেশ শান্ত ও সংযত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বিক্ষোভ বা স্লোগানের দিকে বিশেষ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মন্দিরে প্রবেশ করেন। মন্দিরে প্রায় কিছু সময় ধরে তিনি মা কালীকে প্রণাম করেন এবং বিশেষ পুজো দেন। ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে মন্দিরের পুরোহিতদের উপস্থিতিতে সেই পুজো সম্পন্ন হয়। পুজো শেষে মন্দির থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সাংবাদিকরা বিক্ষোভ নিয়ে প্রশ্ন করলে জ্ঞানেশ কুমার কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য করতে চাননি। অত্যন্ত সংক্ষিপ্তভাবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সব ভাইবোনকে আমার নমস্কার। মা কালী সকলকে ভালো রাখুন।” তাঁর এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে তিনি বিক্ষোভ প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে আগ্রহী নন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। বিমানবন্দর থেকে শহরের বিভিন্ন অংশে যাওয়ার পথে বিক্ষোভকারীরা কালো পতাকা দেখান। বিমানবন্দর চত্বর, কৈখালি, ভিআইপি রোড এবং নিউটাউনের একটি হোটেলের সামনেও প্রতিবাদ দেখানো হয়। এই বিক্ষোভের জেরে রবিবার রাত থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং কোনও বড় ধরনের অশান্তির ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ আগামী দিনে রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে সোমবার। এই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা। পাশাপাশি রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট সংস্থার আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা, ভোটার তালিকা সংশোধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী বিধি কার্যকর করা—এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাই নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এই বৈঠকের দিকে নজর রাখছে। এদিকে কালীঘাট মন্দিরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পুজো দেওয়াকে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ মনে করছেন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সফরের শুরুতেই এমন একটি ঐতিহাসিক মন্দিরে পুজো দেওয়া প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। সব মিলিয়ে, জ্ঞানেশ কুমারের এই তিন দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একদিকে বিক্ষোভ ও অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের বৈঠক—সবকিছু মিলিয়ে এই সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও। আগামী দিনগুলোতে এই বৈঠকগুলিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে যে অভিযোগ উঠছে তার সমাধান কীভাবে করা হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।
এদিকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ আগামী দিনে রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে সোমবার। এই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা। পাশাপাশি রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক, জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট সংস্থার আধিকারিকরাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা, ভোটার তালিকা সংশোধন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী বিধি কার্যকর করা—এই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাই নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও এই বৈঠকের দিকে নজর রাখছে। এদিকে কালীঘাট মন্দিরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পুজো দেওয়াকে ঘিরেও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কেউ কেউ এটিকে ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচার হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ মনে করছেন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সফরের শুরুতেই এমন একটি ঐতিহাসিক মন্দিরে পুজো দেওয়া প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। সব মিলিয়ে, জ্ঞানেশ কুমারের এই তিন দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একদিকে বিক্ষোভ ও অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের বৈঠক—সবকিছু মিলিয়ে এই সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষেরও। আগামী দিনগুলোতে এই বৈঠকগুলিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ভোটার তালিকা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে যে অভিযোগ উঠছে তার সমাধান কীভাবে করা হয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
