রাস্তার ওপর দাউ দাউ করে জ্বলল চারচাকা গাড়ি !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
অন্ডাল : সোমবার রাতের অন্ধকারে আচমকাই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল অণ্ডালের উখড়া এলাকার চঞ্চনির শ্যামসুন্দরপুর নাকা চেকিং পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায়। চলন্ত একটি চারচাকা গাড়িতে হঠাৎই দাউদাউ করে আগুন লেগে যাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে, যখন একটি টাটা নেক্সন গাড়ি ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যদিও বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পান গাড়ির চালক। তবে আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায় গাড়িটি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় গাড়িটি শ্যামসুন্দরপুর নাকা চেকিং পয়েন্টের কাছে পৌঁছতেই আচমকাই গাড়ির ইঞ্জিনের দিক থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। প্রথমে চালক বিষয়টি বুঝতে না পারলেও কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধোঁয়া ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং মুহূর্তের মধ্যেই গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। চোখের সামনে একটি চলন্ত গাড়িতে আগুন জ্বলে উঠতে দেখে আশেপাশের মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সময় ওই নাকা চেকিং পয়েন্টে ডিউটিরত পুলিশ কর্মীরাও দ্রুত পরিস্থিতি লক্ষ্য করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তৎপর হয়ে ওঠেন এবং ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় থাকা স্থানীয় বাসিন্দারাও সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। সকলেই মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন যাতে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে। ঘটনার খবর দ্রুত পৌঁছে যায় পুলিশ প্রশাসনের কাছে। খবর পাওয়ার পরই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় উখড়া ফাঁড়ি এবং লাউদোহা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ এসে প্রথমেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কারণ ঘটনাস্থলটি একটি ব্যস্ত রাস্তার ধারে হওয়ায় সেখানে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। পুলিশ দ্রুত রাস্তার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে যাতে আগুনের কারণে অন্য কোনও গাড়ি বা পথচারী ক্ষতিগ্রস্ত না হন। ব্যস্ত রাস্তায় মুহূর্তের মধ্যেই যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।
এদিকে গাড়ির চালক নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনি পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে ভোজ খেয়ে নিজের ডিউটিতে যোগ দিতে এমআইসি-র দিকে যাচ্ছিলেন। সবকিছুই তখন স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু একটি পেট্রোল পাম্প পার হওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি গাড়ির ভেতর থেকে একটি অস্বাভাবিক গন্ধ পান। সেই গন্ধে তাঁর সন্দেহ হয় যে গাড়ির মধ্যে হয়তো কোনও সমস্যা হয়েছে। সন্দেহ হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে যান এবং গাড়িটিকে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দেন। গাড়ি থেকে নেমে তিনি লক্ষ্য করেন ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করেছে। প্রথমে বিষয়টি ছোটখাটো সমস্যা বলে মনে হলেও কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ধোঁয়া আরও বাড়তে থাকে এবং হঠাৎ করেই আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি বুঝে গাড়ির চালক প্রথমে নিজের কাছেই থাকা জলের বোতল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন তখন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে সেই চেষ্টা খুব একটা কার্যকর হয়নি। এরপর সেখানে উপস্থিত সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা ধুলো-বালি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন যাতে আগুন আরও বড় আকার না নেয়। তবে ততক্ষণে আগুন গাড়ির বেশিরভাগ অংশে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্রতায় পুরো গাড়িটি গ্রাস হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায় টাটা নেক্সন গাড়িটি। যদিও এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর নেই, তবে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান গাড়ির চালক। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই ব্যস্ত রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। রাস্তার উপর একটি গাড়িতে আগুন জ্বলতে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পথচারী এবং অন্যান্য গাড়ির চালকদের মধ্যে। তবে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যানজট কাটানোর ব্যবস্থা করে। ঘটনার পর পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গাড়ির কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা শর্ট সার্কিটের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে গাড়িতে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই জানান, ব্যস্ত রাস্তায় এমন ঘটনা ঘটায় তারা যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে পুলিশ এবং স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় বড় কোনও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে বলা যায়, অণ্ডালের উখড়া এলাকায় চলন্ত গাড়িতে হঠাৎ আগুন লাগার এই ঘটনায় অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ এড়ানো গেছে। যদিও গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, তবু গাড়ির চালক নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন, সেটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটল তার সঠিক কারণ জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এদিকে গাড়ির চালক নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনি পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে ভোজ খেয়ে নিজের ডিউটিতে যোগ দিতে এমআইসি-র দিকে যাচ্ছিলেন। সবকিছুই তখন স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু একটি পেট্রোল পাম্প পার হওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি গাড়ির ভেতর থেকে একটি অস্বাভাবিক গন্ধ পান। সেই গন্ধে তাঁর সন্দেহ হয় যে গাড়ির মধ্যে হয়তো কোনও সমস্যা হয়েছে। সন্দেহ হওয়ায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে যান এবং গাড়িটিকে রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে দেন। গাড়ি থেকে নেমে তিনি লক্ষ্য করেন ইঞ্জিনের ভেতর থেকে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করেছে। প্রথমে বিষয়টি ছোটখাটো সমস্যা বলে মনে হলেও কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ধোঁয়া আরও বাড়তে থাকে এবং হঠাৎ করেই আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি বুঝে গাড়ির চালক প্রথমে নিজের কাছেই থাকা জলের বোতল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন তখন এতটাই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল যে সেই চেষ্টা খুব একটা কার্যকর হয়নি। এরপর সেখানে উপস্থিত সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা ধুলো-বালি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন যাতে আগুন আরও বড় আকার না নেয়। তবে ততক্ষণে আগুন গাড়ির বেশিরভাগ অংশে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের তীব্রতায় পুরো গাড়িটি গ্রাস হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায় টাটা নেক্সন গাড়িটি। যদিও এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর নেই, তবে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান গাড়ির চালক। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য ওই ব্যস্ত রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। রাস্তার উপর একটি গাড়িতে আগুন জ্বলতে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পথচারী এবং অন্যান্য গাড়ির চালকদের মধ্যে। তবে পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যানজট কাটানোর ব্যবস্থা করে। ঘটনার পর পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, গাড়ির কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা শর্ট সার্কিটের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে গাড়িতে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই জানান, ব্যস্ত রাস্তায় এমন ঘটনা ঘটায় তারা যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। তবে পুলিশ এবং স্থানীয় মানুষের তৎপরতায় বড় কোনও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে বলা যায়, অণ্ডালের উখড়া এলাকায় চলন্ত গাড়িতে হঠাৎ আগুন লাগার এই ঘটনায় অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ এড়ানো গেছে। যদিও গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, তবু গাড়ির চালক নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন, সেটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয়। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটল তার সঠিক কারণ জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
