Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
পশ্চিম মেদিনীপুর: একসময় রাজনৈতিক সংঘর্ষে “কুখ্যাত” নাম ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের। বোমা-বারুদের গন্ধে ভারী হয়ে থাকত বাতাস, আতঙ্কে দিন কাটাত গ্রামবাসী। কিন্তু আজ ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন সেই কেশপুরই শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক। এখানেই রয়েছে এক অনন্য সহাবস্থানের গ্রাম—অকুলসাড়া।এই গ্রামে প্রায় ১৮০টি পরিবার মিলেমিশে একসাথে বসবাস করেন—তার মধ্যে প্রায় ৭০টি মুসলিম পরিবার চাষবাস ও ব্যবসায় যুক্ত, আর বাকি ১১০টি হিন্দু পরিবার ছড়িয়ে আছেন মাঝিপাড়া, মালাকারপাড়া ও কুমোরপাড়ায়। কুমোরপাড়ার মানুষেরই প্রধান জীবিকা—মাটির প্রদীপ তৈরি।
দীপাবলি আসতে না আসতেই সেই কুমোরপাড়ায় শুরু হয়েছে চরম ব্যস্ততা। উঠোন জুড়ে সারি সারি শুকোচ্ছে মাটির প্রদীপ, ঘাট, গণেশ-মা লক্ষ্মীর মূর্তি। নিম্নচাপ কেটে রোদ উঠতেই যেন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা গ্রামে।
শিবারানী দাস, তনুশ্রী দাস, গণেশ দাস—এই পরিবারের সদস্যরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মৃৎশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। গণেশ দাসের কথায়,
আগে হাজার-হাজার প্রদীপের অর্ডার আসত বিভিন্ন জায়গা থেকে। এখন ইলেকট্রিক আলোর যুগে অর্ডার কমে তিনশ-চারশ-তে নেমে এসেছে। তবুও এই ঐতিহ্যই তো আমাদের বংশপরম্পরার জীবিকা, তাই কাজটা করে চলেছি। কৃত্রিম আলোর রোশনাই যতই বাড়ুক, অকুলসাড়ার মাটির প্রদীপের আলো আজও নিভে যায়নি। কারণ দীপাবলি মানেই শুধু সাজসজ্জা নয়—এটা এক ঐতিহ্য, এক সাংস্কৃতিক পরিচয়। তাই আজও কালীপুজোর আগে কুমোরপাড়ার উঠোনে জ্বলে ওঠে আশার আলো—মাটির প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয় অকুলসাড়ার মন।
শিবারানী দাস, তনুশ্রী দাস, গণেশ দাস—এই পরিবারের সদস্যরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মৃৎশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। গণেশ দাসের কথায়,
আগে হাজার-হাজার প্রদীপের অর্ডার আসত বিভিন্ন জায়গা থেকে। এখন ইলেকট্রিক আলোর যুগে অর্ডার কমে তিনশ-চারশ-তে নেমে এসেছে। তবুও এই ঐতিহ্যই তো আমাদের বংশপরম্পরার জীবিকা, তাই কাজটা করে চলেছি। কৃত্রিম আলোর রোশনাই যতই বাড়ুক, অকুলসাড়ার মাটির প্রদীপের আলো আজও নিভে যায়নি। কারণ দীপাবলি মানেই শুধু সাজসজ্জা নয়—এটা এক ঐতিহ্য, এক সাংস্কৃতিক পরিচয়। তাই আজও কালীপুজোর আগে কুমোরপাড়ার উঠোনে জ্বলে ওঠে আশার আলো—মাটির প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয় অকুলসাড়ার মন।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
