পানাগড় রেল পুকুরে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
কাঁকসা : মঙ্গলবার ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সম্পন্ন হলো ছটপুজোর চূড়ান্ত পর্ব। প্রতিবছরের মতো এবারও পানাগড় স্টেশন সংলগ্ন রেল পুকুরে হিন্দি সাংস্কৃতিক পরিষদের উদ্যোগে ছটপুজোর আয়োজন করা হয়। ভোর রাত থেকেই পুকুরপাড়ে ভিড় জমে হিন্দিভাষী ভক্তদের। দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সকালেই পানাগড় বাজারে যান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল। এদিন শুধু হিন্দিভাষী মানুষ নয়, বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষও উপস্থিত ছিলেন পুজো দেখতে।দর্শনার্থীদের জন্য ঘাটের এক পাশে কমিটির তরফে চায়ের ব্যবস্থা করা হয়।
নিরাপত্তার দিক থেকেও নেওয়া হয়েছিল কড়া ব্যবস্থা — রেলগেটে আরপিএফের নজরদারি, ঘাটে কাঁকসা থানার পুলিশ ও পানাগড় দমকল বিভাগের উপস্থিতি, পাশাপাশি গোটা এলাকা জুড়ে ছিল সিসিটিভি ক্যামেরা।ভক্তদের বক্তব্য, সূর্যদেবকে উদ্দেশ্য করেই এই পুজো পালিত হয়। সোমবার বিকেলে সূর্যাস্তের সময় এবং মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সময় দুই পর্বে সম্পন্ন হয় পূজার্চনা। প্রতি বছরই যেমন ধর্মীয় আবেগে ভাসে পানাগড়, তেমনি এবছরও রেল পুকুরে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তদের দাবি, বছর বছর এই ভিড় আরও বাড়ছে, যা এই অঞ্চলের অন্যতম বড় সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
নিরাপত্তার দিক থেকেও নেওয়া হয়েছিল কড়া ব্যবস্থা — রেলগেটে আরপিএফের নজরদারি, ঘাটে কাঁকসা থানার পুলিশ ও পানাগড় দমকল বিভাগের উপস্থিতি, পাশাপাশি গোটা এলাকা জুড়ে ছিল সিসিটিভি ক্যামেরা।ভক্তদের বক্তব্য, সূর্যদেবকে উদ্দেশ্য করেই এই পুজো পালিত হয়। সোমবার বিকেলে সূর্যাস্তের সময় এবং মঙ্গলবার সূর্যোদয়ের সময় দুই পর্বে সম্পন্ন হয় পূজার্চনা। প্রতি বছরই যেমন ধর্মীয় আবেগে ভাসে পানাগড়, তেমনি এবছরও রেল পুকুরে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তদের দাবি, বছর বছর এই ভিড় আরও বাড়ছে, যা এই অঞ্চলের অন্যতম বড় সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
