৫৫০ বছরের ঐতিহ্য- শান্তিপুরে চাঁদুনী মায়ের পুজোর দক্ষিণা কালী রূপে
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
নদীয়া: নদিয়ার শান্তিপুরের চাঁদুনী বাড়ি—বংশ পরম্পরায় টিকে থাকা এক ঐতিহ্যের সাক্ষী। আজ থেকে সাড়ে পাঁচশো বছর আগে দেবীর স্বপ্নাদেশে এই পুজোর সূচনা করেছিলেন কাশিনাথ সার্বভৌম, যিনি ছিলেন শ্রীচৈতন্যদেবের বাল্যকালের শিক্ষাগুরু। সেই সময় থেকেই দক্ষিণা কালী রূপে পুজিত হন মা চাঁদুনী, আর আজও সেই চিরাচরিত রীতিনীতি অক্ষুণ্ণ রয়েছে এই বনেদি বাড়িতে।প্রতিবছর দেবীকে আটচালা নাটমন্দিরে পাটে তোলা হয় এক বিশেষ আচার মেনে। কথিত আছে, স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী বাড়ির গৃহবধূরা প্রথমে জল ও মিষ্টি নিবেদন করেন দেবীকে, তারপর ভক্তসমাগমের মধ্যে দিয়ে মা চাঁদুনীকে পাটে তোলা হয়। মুখার্জি পরিবার নামে পরিচিত এই চাঁদুনী বাড়ির বংশধরেরা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে — কেউ আমেরিকায়, কেউ ইউরোপে, আবার কেউ অস্ট্রেলিয়া, চীন, নেপাল বা জার্মানিতে। কিন্তু পুজোর ক’টা দিনে সবাই ফিরে আসেন মাতৃগৃহে, একত্রিত হন দেবী চাঁদুনীর আরাধনায়। বাড়ির সদস্যদের কথায়, সারা বছর ধরে এই পুজোর অপেক্ষায় থাকেন তাঁরা।
পুজোর সময় নানা আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। দেবীর ভোগ নিবেদন করেন বাড়ির গৃহবধূরাই, সাজানো হয় নানান রকম মিষ্টি ও সন্দেশের অসংখ্য থালা। একসময় এই পুজোয় প্রচলিত ছিল পাঠা বলির প্রথা, যদিও এখন সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। ভক্তদের বিশ্বাস, মা চাঁদুনী অত্যন্ত জাগ্রত দেবী। বহু ভক্তের মনোস্কামনা পূর্ণ হওয়ার পর থেকেই এই পুজো ঘিরে ভক্তদের মধ্যে গভীর আস্থা তৈরি হয়েছে। তাই প্রতিবছর হাজারো মানুষ আসেন শান্তিপুরে দেবীর দর্শনে। এখন চাঁদুনী বাড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে—সাজানো হচ্ছে দেবীর নাটমন্দির, ফিরছেন দেশ-বিদেশে থাকা বংশধরেরা। বলা চলে, ৫৫০ বছরের ঐতিহ্য আজও জীবন্ত চাঁদুনী বাড়িতে, যেখানে দেবীর আরাধনায় মিশে আছে ইতিহাস, বিশ্বাস আর এক অটুট পারিবারিক বন্ধন।
পুজোর সময় নানা আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। দেবীর ভোগ নিবেদন করেন বাড়ির গৃহবধূরাই, সাজানো হয় নানান রকম মিষ্টি ও সন্দেশের অসংখ্য থালা। একসময় এই পুজোয় প্রচলিত ছিল পাঠা বলির প্রথা, যদিও এখন সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। ভক্তদের বিশ্বাস, মা চাঁদুনী অত্যন্ত জাগ্রত দেবী। বহু ভক্তের মনোস্কামনা পূর্ণ হওয়ার পর থেকেই এই পুজো ঘিরে ভক্তদের মধ্যে গভীর আস্থা তৈরি হয়েছে। তাই প্রতিবছর হাজারো মানুষ আসেন শান্তিপুরে দেবীর দর্শনে। এখন চাঁদুনী বাড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে—সাজানো হচ্ছে দেবীর নাটমন্দির, ফিরছেন দেশ-বিদেশে থাকা বংশধরেরা। বলা চলে, ৫৫০ বছরের ঐতিহ্য আজও জীবন্ত চাঁদুনী বাড়িতে, যেখানে দেবীর আরাধনায় মিশে আছে ইতিহাস, বিশ্বাস আর এক অটুট পারিবারিক বন্ধন।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
