১০ ফুটের তেরঙ্গা ঘুড়ি তৈরি দুর্গাপুরের যুবকের !

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
দুর্গাপুর : স্বাধীনতা দিবসে দুর্গাপুরের আকাশে এবার দেখা যাবে দেশপ্রেমের এক অভিনব নিদর্শন। সাধারণ ঘুড়ি নয়, প্রায় ১০ ফুট বাই ১০ ফুট আকারের বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছেন গোপাল মাঠের যুবক ছোটন ঘোষ। ১৫ আগস্ট সকাল থেকেই গোপাল মাঠের আকাশে উড়বে এই বিশেষ ঘুড়ি। আর বিশাল আকারের এই তেরঙ্গা ঘুড়ি দেখতে ইতিমধ্যেই উৎসাহ তৈরি হয়েছে এলাকার মানুষের মধ্যে। স্বাধীনতা দিবস মানেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশাত্মবোধক গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ। কিন্তু সেই চেনা উদযাপনের বাইরে এবার দুর্গাপুরে দেশপ্রেম প্রকাশের অভিনব ভাবনা নিয়েছেন এক যুবক। দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং স্বাধীনতা দিবসকে একটু অন্যভাবে উদযাপন করার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে এই বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি। গোপাল মাঠের যুবক ছোটন ঘোষের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে প্রায় ১০ ফুট বাই ১০ ফুট আকারের এই ঘুড়ি। আকারে এতটাই বড় যে সাধারণ ঘুড়ির সঙ্গে এর কোনও তুলনাই চলে না। আকাশে ওড়ার পর দূর থেকেই নজরে পড়বে বিশাল এই তেরঙ্গা। ঘুড়িটির নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভারতের জাতীয় পতাকার তিনটি রং—গেরুয়া, সাদা এবং সবুজ। মাঝখানে জাতীয় পতাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক অশোকচক্রের নকশাও রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে শুধু আকার বা নকশাতেই এই ঘুড়ির বিশেষত্ব নয়। বিশাল এই ঘুড়ি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ লোহার কাঠামো। সাধারণ কাগজ বা বাঁশের কাঠামোর ঘুড়ির তুলনায় এই ঘুড়ির নির্মাণ পদ্ধতি একেবারেই আলাদা। বড় আকারের এই ঘুড়িকে আকাশে স্থির রাখা এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য। ঘুড়িটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে ড্রোন মোটর। উদ্যোক্তার দাবি, এই প্রযুক্তির সাহায্যে দীর্ঘ সময় ধরে ঘুড়িটিকে আকাশে নির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। বিশাল আকারের ঘুড়ি হওয়ায় সাধারণ ঘুড়ির মতো শুধুমাত্র সুতোয় নিয়ন্ত্রণ করা সহজ নয়। তাই ঘুড়ির কাঠামো এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের সকাল থেকেই গোপাল মাঠে এই ঘুড়ি ওড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সকালবেলা যখন জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশাত্মবোধক অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হবে, ঠিক সেই সময় আকাশে দেখা যাবে বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি। উদ্যোক্তা ছোটন ঘোষ জানিয়েছেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই স্বাধীনতা দিবসকে একটু অন্যভাবে উদযাপন করার এই ভাবনা। প্রতিদিনের জীবনে দেশপ্রেম প্রকাশের অনেক উপায় থাকলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ এবং উৎসাহ তৈরি করার পাশাপাশি দেশের জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছোটন ঘোষের এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে বিশাল আকারের এই তেরঙ্গা ঘুড়ি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
১০ ফুটের তেরঙ্গা ঘুড়ি তৈরি দুর্গাপুরের যুবকের !
দুর্গাপুরের আকাশে ১০ ফুটের তেরঙ্গা ঘুড়ি ! স্বাধীনতা দিবসে অভিনব দেশপ্রেমের বার্তা

সাধারণত আকাশে ছোট ছোট রঙিন ঘুড়ি দেখা গেলেও ১০ ফুট বাই ১০ ফুট আকারের একটি বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি ওড়ার দৃশ্য যে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করবে, তা বলাই যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি বিশেষ দিনে এমন অভিনব উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। জাতীয় পতাকার রঙে তৈরি বিশাল ঘুড়ি আকাশে উড়তে দেখার অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের কাছে যেমন আনন্দের হবে, তেমনই নতুন প্রজন্মের মধ্যেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও দেশাত্মবোধের বার্তা পৌঁছে দিতে পারে এই ধরনের উদ্যোগ। তবে এত বড় ঘুড়ি ওড়ানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশাল আকারের কাঠামো এবং ড্রোন মোটর ব্যবহারের কারণে ঘুড়ি ওড়ানোর সময় আশপাশের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। উদ্যোক্তার পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট জায়গা থেকেই ঘুড়িটি ওড়ানো হবে এবং নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। গোপাল মাঠে স্বাধীনতা দিবসের দিন সকাল থেকেই তাই বাড়তি উৎসাহের আবহ তৈরি হতে চলেছে। একদিকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, অন্যদিকে আকাশে উড়বে জাতীয় পতাকার রঙে তৈরি বিশাল ঘুড়ি। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে এবার নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে এই উদ্যোগ। এই তেরঙ্গা ঘুড়ির পিছনে রয়েছে শুধুই একটি অভিনব ভাবনা নয়, রয়েছে দেশের প্রতি ভালোবাসার বার্তাও। ছোটন ঘোষের বক্তব্য, স্বাধীনতা দিবস শুধু একটি ছুটির দিন নয়। এই দিনটি দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ এবং দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই আবেগ থেকেই একটু ভিন্নভাবে দিনটিকে উদযাপন করার চেষ্টা। বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়িটি আকাশে ওড়ার পর সেটি কতটা সময় ধরে আকাশে থাকে, কত দূর থেকে দেখা যায় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সাড়া ফেলে—সেদিকেও থাকবে নজর। তবে তার আগেই উদ্যোগটি ঘিরে গোপাল মাঠ এবং আশপাশের এলাকায় তৈরি হয়েছে যথেষ্ট আগ্রহ। দুর্গাপুরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এর আগেও নানা ধরনের অনুষ্ঠান হয়েছে। কিন্তু জাতীয় পতাকার রঙে তৈরি প্রায় ১০ ফুট বাই ১০ ফুট বিশাল ঘুড়ি আকাশে উড়িয়ে দেশপ্রেমের বার্তা দেওয়ার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অভিনব। ১৫ আগস্ট সকালে গোপাল মাঠের আকাশে যখন বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি উড়বে, তখন তার দিকে তাকিয়ে থাকবেন বহু মানুষ। শিশু থেকে প্রবীণ—সকলের কাছেই দৃশ্যটি হয়ে উঠতে পারে স্বাধীনতা দিবসের অন্যতম আকর্ষণ। একটি ঘুড়ি, কিন্তু তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশের প্রতি ভালোবাসা, স্বাধীনতার আবেগ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশাত্মবোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। ছোটন ঘোষের এই উদ্যোগ কতটা সাড়া ফেলে, তা জানা যাবে স্বাধীনতা দিবসেই। সব মিলিয়ে, দুর্গাপুরের গোপাল মাঠে এবার স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে থাকছে অভিনব চমক। ১০ ফুট বাই ১০ ফুট বিশাল তেরঙ্গা ঘুড়ি, বিশেষ লোহার কাঠামো, ড্রোন মোটরের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে প্রযুক্তি ও দেশপ্রেমের এক অনন্য মেলবন্ধন। ১৫ আগস্ট সকাল থেকে আকাশে উড়বে এই বিশাল তেরঙ্গা। আর সেই দৃশ্য দেখতে গোপাল মাঠে মানুষের ভিড় জমে কি না, এখন সেটাই দেখার।

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram