গরু পাচার রুখে দেওয়ায় পুলিশকে মিষ্টিমুখ বিজেপি যুবনেতার

পারিজাত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, পুলিশের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন পর গরু পাচার রোধে এ ধরনের কড়া এবং সফল অভিযান দেখা গেল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বেআইনি পাচার রুখতে পুলিশ যেভাবে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে, তার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানাতেই তিনি এবং তাঁর সহকর্মীরা ফাঁড়িতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী রাজ্য থেকে বিভিন্ন সময়ে গরু পাচারের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ধরনের অপরাধ রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি। পুলিশের এই অভিযান ভবিষ্যতে পাচারকারীদের কাছে কড়া বার্তা দেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় সড়ক দিয়ে চলাচলকারী সন্দেহজনক যানবাহনের উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। বিশেষ করে রাতের সময় নাকা চেকিং আরও জোরদার করা হবে যাতে কোনওভাবেই বেআইনি পশু পাচার, মাদক পাচার বা অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটতে না পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশও পুলিশের এই তৎপরতার প্রশংসা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় সড়ক ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের বেআইনি পাচারের অভিযোগ উঠছিল। পুলিশের ধারাবাহিক নজরদারি বাড়লে এই ধরনের অপরাধ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তাঁদের বিশ্বাস। এদিকে ধৃত দুই অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করার প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ। আদালতের কাছে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে অভিযুক্তদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এর আগেও একই ট্রাক বা একই চক্রের মাধ্যমে গরু পাচারের ঘটনা ঘটেছে কি না। উদ্ধার হওয়া ২১টি গরুর প্রকৃত মালিকানা, পরিবহণের বৈধ নথি এবং গন্তব্যস্থল সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। পাশাপাশি এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করছে পুলিশ। পুলিশের এই সাফল্যকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় সড়কে পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হলে শুধু গরু পাচার নয়, অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও অনেকটাই কমে আসবে।
