ভুয়ো স্বর্ণমুদ্রা কেলেঙ্কারি ডিসিপি’র কড়া সতর্কবার্তা সাধারণ মানুষকে
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
উখরা: ভুয়ো স্বর্ণমুদ্রা বিক্রির অভিযোগে দুই প্রতারককে গ্রেফতার করল অণ্ডাল থানার অধীন উখরা ফাঁড়ির পুলিশ। বুধবার রাতে চালানো অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা নগদ টাকা। বৃহস্পতিবার ধৃতদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাদের ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। শুক্রবার, উখরা ফাঁড়িতে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অভিষেক গুপ্তা জানান, ধৃতরা সাধারণ মানুষকে নানা রকম মিথ্যা গল্প শুনিয়ে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করত। তেমনই এক চক্রান্তের শিকার হন উখরার এক বাসিন্দা। DCP জানান, বীরভূম জেলার আহমদপুর এলাকার দুই ব্যক্তি ওই ব্যক্তিকে জানায়, এক প্রাচীন প্রাসাদের নীচে খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে পাওয়া গেছে বহু প্রাচীন ‘স্বর্ণমুদ্রা’। তারা দাবি করে, ওই ‘স্বর্ণমুদ্রা’ মাত্র ১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হবে। প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস করে উখরার ওই ব্যক্তি প্রথমে সিউড়িতে গিয়ে তাদের হাতে নগদ ২ লক্ষ টাকা তুলে দেন। এরপর আরও ৫০ হাজার টাকা ইউপিআই মারফত পাঠানো হয়। প্রতারকরা তাঁকে মোট ১৫০টি তথাকথিত ‘স্বর্ণমুদ্রা’ দেয়।
পরে সেগুলি স্থানীয় সোনার দোকানে নিয়ে পরীক্ষার পর জানা যায়, মুদ্রাগুলি সোনা তো নয়ই, বরং সাধারণ ধাতু দিয়ে তৈরি জাল জিনিস। বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী উখরা ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন। দ্বিতীয় দফায় আরও মুদ্রা বিক্রির নাম করে ওই প্রতারকরা ফের ফোন করলে, পুলিশ মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে আহমদপুর থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করে। DCP অভিষেক গুপ্তা জানান, ধৃতদের কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ইউপিআই-এর মাধ্যমে পাঠানো টাকারও হদিস খোঁজা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত আছে কি না, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। DCP আরো জানান প্রতারণার ঘটনায় জড়িত মীর আমিরুলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি হন্ডাই চারচাকা গাড়ি এবং তাদের ব্যবহৃত করা তিনটে মোবাইল ফোন এবং ৩৫০ টি নকল কয়েন উদ্ধার করা হয়েছে ধৃতদের কাছ থেকে বলে জানান তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করব—এই ধরনের প্রতারকদের প্রলোভনে যেন কেউ না পড়ে। পুরনো ধনরত্ন, গুপ্তধন বা স্বর্ণমুদ্রার গল্পে বিশ্বাস করা একেবারেই অনুচিত। প্রতিটি ক্ষেত্রে আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত।”
পরে সেগুলি স্থানীয় সোনার দোকানে নিয়ে পরীক্ষার পর জানা যায়, মুদ্রাগুলি সোনা তো নয়ই, বরং সাধারণ ধাতু দিয়ে তৈরি জাল জিনিস। বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী উখরা ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেন। দ্বিতীয় দফায় আরও মুদ্রা বিক্রির নাম করে ওই প্রতারকরা ফের ফোন করলে, পুলিশ মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে আহমদপুর থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করে। DCP অভিষেক গুপ্তা জানান, ধৃতদের কাছ থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ইউপিআই-এর মাধ্যমে পাঠানো টাকারও হদিস খোঁজা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত আছে কি না, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। DCP আরো জানান প্রতারণার ঘটনায় জড়িত মীর আমিরুলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি হন্ডাই চারচাকা গাড়ি এবং তাদের ব্যবহৃত করা তিনটে মোবাইল ফোন এবং ৩৫০ টি নকল কয়েন উদ্ধার করা হয়েছে ধৃতদের কাছ থেকে বলে জানান তিনি আরও বলেন, “সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করব—এই ধরনের প্রতারকদের প্রলোভনে যেন কেউ না পড়ে। পুরনো ধনরত্ন, গুপ্তধন বা স্বর্ণমুদ্রার গল্পে বিশ্বাস করা একেবারেই অনুচিত। প্রতিটি ক্ষেত্রে আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত।”
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
