উচ্ছেদ নোটিস প্রত্যাহারের দাবিতে DRM-কে ডেপুটেশন

সংগঠনের প্রতিনিধিদের বক্তব্য, উন্নয়নের স্বার্থে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত যেন মানবিকতার পরিপন্থী না হয়। সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা এবং মৌলিক অধিকারের বিষয়টিও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা উচিত। এই কারণেই তাঁরা ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে উচ্ছেদ নোটিস স্থগিত অথবা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে একটি গ্রহণযোগ্য ও আইনসম্মত সমাধান বের করারও আবেদন জানানো হয়েছে। তাঁদের দাবি, একতরফা সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। সমিতির মতে, দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী পরিবারগুলির পুনর্বাসনের বিষয়টি নিশ্চিত না করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে তা মানবিক সংকটের সৃষ্টি করবে। তাই পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়—এই দাবিতেই তাঁরা অনড়। স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় সংগঠনের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জানান, প্রশাসনের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশায় রয়েছেন তাঁরা। তবে দাবি উপেক্ষিত হলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথেও হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের ন্যায্য দাবি অগ্রাহ্য করে যদি একতরফাভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়, তাহলে তাঁরা গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন। অন্যদিকে, এলাকাবাসীরাও এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকে। তাঁদের আশা, প্রশাসন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করবে এবং পুনর্বাসনের রূপরেখা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে না। বর্তমানে পুরো বিষয়টির উপর নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনেরও। আগামী দিনে রেল কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।
