Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
দুর্গাপুর : ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর আড়ালে নেশাজাতীয় সামগ্রী বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দুর্গাপুরে। বেসরকারি স্কুলের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর হাতে সন্দেহজনক চকলেট ধরা পড়তেই বিষয়টি সামনে আসে। স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিভাবক ও পুলিশকে খবর দিলে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক দোকানদারকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের Rana Pratap Road এলাকার একটি বেসরকারি স্কুলে। শনিবার অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে আসে নতুন পল্লী এলাকার এক নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলে আসার সময় তার হাতে একটি সবুজ রঙের প্যাকেট দেখা যায়। প্যাকেটটি দেখতে কিছুটা অস্বাভাবিক হওয়ায় সহপাঠীদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়। তারা জানতে চায় ওই প্যাকেটের ভেতরে কী রয়েছে। এই সময়েই বিষয়টি নজরে পড়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা Debjani Basu-র। ছাত্রীর হাতে থাকা প্যাকেটটি দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। কারণ প্যাকেটটির গায়ে থাকা লেখা এবং তার আকার-আকৃতি সাধারণ চকলেটের মতো মনে হয়নি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে ছাত্রীটির কাছে জানতে চান, ওই প্যাকেটের ভেতরে কী রয়েছে এবং সে কোথা থেকে এটি পেয়েছে। প্রথমে কিছুটা ইতস্তত করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ছাত্রীটি জানায়, সে ওই চকলেটটি কিনেছে Dhundra Plot এলাকার একটি দোকান থেকে। দোকানদারের নাম সঞ্জয় গড়াই বলেও সে জানায়। ছাত্রীটির বক্তব্য অনুযায়ী, দোকানদার তাকে বলেছিল এটি একটি ভেষজ বা ‘আয়ুর্বেদিক’ চকলেট, যা খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ আরও বাড়ে যখন তারা প্যাকেটটি খুঁটিয়ে দেখেন। তাঁদের মনে হয়, এটি সাধারণ কোনও চকলেট নয়, বরং এর ভেতরে নেশাজাতীয় কোনও পদার্থ থাকতে পারে। বিষয়টির গুরুত্ব বুঝেই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রধান শিক্ষিকা। এরপরই স্কুল থেকে ছাত্রীর অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। পাশাপাশি পুরো বিষয়টি জানানো হয় পুলিশকেও। কিছুক্ষণের মধ্যেই ছাত্রীর অভিভাবকরা স্কুলে পৌঁছান এবং ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ, ছাত্রীর অভিভাবক এবং পুলিশ একসঙ্গে অভিযুক্ত দোকানের উদ্দেশে রওনা দেন। তারা সরাসরি পৌঁছে যান ধুনড়া প্লট এলাকার ওই দোকানে। সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত দোকানদারকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে দোকানদারকে আটক করা হয়। পাশাপাশি দোকান থেকে আরও কোনও সন্দেহজনক সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। তাঁদের প্রশ্ন—কীভাবে প্রকাশ্যে একটি দোকানে এমন সন্দেহজনক চকলেট বিক্রি করা হচ্ছে? এবং তা কীভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রছাত্রীদের হাতেও পৌঁছে যাচ্ছে ?
স্থানীয় অনেক অভিভাবকই জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ অল্প বয়সী ছাত্রছাত্রীরা সহজেই এই ধরনের প্রলোভনে পড়তে পারে। তারা বুঝতে না পেরেই নেশাজাতীয় কোনও বস্তু খেয়ে ফেলতে পারে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা Debjani Basu জানান, ছাত্রীর হাতে প্যাকেটটি দেখেই তাঁদের সন্দেহ হয়েছিল। কারণ এটি সাধারণ চকলেটের প্যাকেটের মতো ছিল না। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং ছাত্রীর কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, “ছাত্রীটি জানায় কাছের একটি দোকান থেকে সে ওই চকলেটটি কিনেছে। দোকানদার তাকে বলেছিল এটি একটি ভেষজ বা আয়ুর্বেদিক চকলেট। কিন্তু প্যাকেটটি দেখে আমাদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। তাই আমরা দেরি না করে ছাত্রীর অভিভাবকদের খবর দিই এবং পুলিশকে জানাই।” প্রধান শিক্ষিকার মতে, ছোটদের হাতে এ ধরনের নেশাজাতীয় সামগ্রী পৌঁছে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব শুধু পড়াশোনা করানো নয়, বরং ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও। তাই বিষয়টি সামনে আসার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই চকলেটের প্যাকেটটি পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হতে পারে। সেটির ভেতরে আদৌ কোনও নেশাজাতীয় পদার্থ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার পরেই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ওই দোকানে এই ধরনের আরও কোনও সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছিল কি না। যদি তা প্রমাণিত হয়, তাহলে এর পেছনে বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। এই ঘটনার পর এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, স্কুলের আশপাশে থাকা দোকানগুলিতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো উচিত। কারণ ছাত্রছাত্রীরা প্রায়ই টিফিনের সময় বা স্কুল ছুটির পর কাছের দোকান থেকে খাবার বা চকলেট কিনে থাকে। সব মিলিয়ে বলা যায়, দুর্গাপুরে ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর আড়ালে সন্দেহজনক নেশাজাতীয় সামগ্রী বিক্রির অভিযোগ সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের তৎপরতার ফলেই বিষয়টি দ্রুত সামনে এসেছে এবং বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এখন সকলের নজর পুলিশের তদন্তের দিকে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে সত্যিই নেশাজাতীয় সামগ্রী ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছিল, তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই আশা করছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় অনেক অভিভাবকই জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ অল্প বয়সী ছাত্রছাত্রীরা সহজেই এই ধরনের প্রলোভনে পড়তে পারে। তারা বুঝতে না পেরেই নেশাজাতীয় কোনও বস্তু খেয়ে ফেলতে পারে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা Debjani Basu জানান, ছাত্রীর হাতে প্যাকেটটি দেখেই তাঁদের সন্দেহ হয়েছিল। কারণ এটি সাধারণ চকলেটের প্যাকেটের মতো ছিল না। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং ছাত্রীর কাছ থেকে পুরো বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, “ছাত্রীটি জানায় কাছের একটি দোকান থেকে সে ওই চকলেটটি কিনেছে। দোকানদার তাকে বলেছিল এটি একটি ভেষজ বা আয়ুর্বেদিক চকলেট। কিন্তু প্যাকেটটি দেখে আমাদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত সন্দেহজনক মনে হয়। তাই আমরা দেরি না করে ছাত্রীর অভিভাবকদের খবর দিই এবং পুলিশকে জানাই।” প্রধান শিক্ষিকার মতে, ছোটদের হাতে এ ধরনের নেশাজাতীয় সামগ্রী পৌঁছে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। স্কুল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব শুধু পড়াশোনা করানো নয়, বরং ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও। তাই বিষয়টি সামনে আসার পরই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই চকলেটের প্যাকেটটি পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হতে পারে। সেটির ভেতরে আদৌ কোনও নেশাজাতীয় পদার্থ রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার পরেই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে। পাশাপাশি পুলিশ খতিয়ে দেখছে, ওই দোকানে এই ধরনের আরও কোনও সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছিল কি না। যদি তা প্রমাণিত হয়, তাহলে এর পেছনে বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। এই ঘটনার পর এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর দাবিও উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, স্কুলের আশপাশে থাকা দোকানগুলিতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো উচিত। কারণ ছাত্রছাত্রীরা প্রায়ই টিফিনের সময় বা স্কুল ছুটির পর কাছের দোকান থেকে খাবার বা চকলেট কিনে থাকে। সব মিলিয়ে বলা যায়, দুর্গাপুরে ‘আয়ুর্বেদিক চকলেট’-এর আড়ালে সন্দেহজনক নেশাজাতীয় সামগ্রী বিক্রির অভিযোগ সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের তৎপরতার ফলেই বিষয়টি দ্রুত সামনে এসেছে এবং বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। এখন সকলের নজর পুলিশের তদন্তের দিকে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে সত্যিই নেশাজাতীয় সামগ্রী ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছিল, তাহলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই আশা করছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
