বেপরোয়া ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট যুবক !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
লাউদোহা : এক মুহূর্ত আগেও যে শরীরটা বেঁচে ছিল, পরের মুহূর্তেই তা ছিটকে পড়ে রাস্তায়। তারপর আর কোনও সময় নেই—বেপরোয়া ডাম্পারের নিষ্ঠুর চাকার নিচে থেঁতলে যায় গোটা দেহ। রবিবারের সকালে এমনই হৃদয়বিদারক, রোমহর্ষক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল আরও একটি তরতাজা প্রাণ। দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার সরপি এলাকায় মৃত্যু হল ২৮ বছরের পরিতোষ রুইদাসের।ওই এলাকারই বাসিন্দা পরিতোষ ছিলেন পরিবারের একমাত্র ভরসা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান দ্রুতগতির একটি ডাম্পার আচমকাই পরিতোষকে ধাক্কা মারে। কোনও সতর্কতা নেই, কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই—ধাক্কা খেয়ে যুবক রাস্তায় ছিটকে পড়তেই আবার সেই ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয় তাঁর শরীর। ঘটনাস্থলেই নিভে যায় জীবন। রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে রক্ত, আর সেই দৃশ্য দেখে আতঙ্কে শিউরে ওঠেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই মৃত্যু কি শুধুই দুর্ঘটনা ? নাকি দিনের পর দিন বেপরোয়া গতিতে ছুটে চলা ডাম্পারগুলোর লাগামহীন দাপটের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি ? এলাকাবাসীর ক্ষোভ উগরে পড়ে। তাঁদের অভিযোগ, কোনও নিয়ম মানে না এই ডাম্পারগুলি। জনবহুল রাস্তায় যেন মৃত্যুর মিছিল চালাচ্ছে তারা। অথচ যাদের দায়িত্ব ছিল এই যানবাহনের উপর নজরদারি করা, গতি নিয়ন্ত্রণ করা, মানুষের জীবন রক্ষা করা—তাঁদের যেন কোনও দায় নেই। প্রশাসনের নীরবতা আর উদাসীনতাই বারবার এমন মৃত্যুকে ডেকে আনছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। শোকের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের প্রশ্ন—আর কতজনের রক্তে ভিজবে এই রাস্তা? আর কত পরিবার এভাবে সর্বস্ব হারাবে ? ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু শোকার্ত পরিবারের চোখে একটাই প্রশ্ন—এই আশ্বাস কি পরিতোষকে ফিরিয়ে দেবে? নাকি আরও একবার সব ভুলে যাওয়া হবে ? নিয়মহীন রাস্তায়, দায়িত্বহীন প্রশাসনের ছত্রছায়ায় বেপরোয়া ডাম্পারগুলো যেন প্রতিদিন মৃত্যুকে বহন করে নিয়ে চলেছে। আর তার বলি হচ্ছেন পরিতোষের মতো নিরীহ মানুষরা।
এই মৃত্যু কি শুধুই দুর্ঘটনা ? নাকি দিনের পর দিন বেপরোয়া গতিতে ছুটে চলা ডাম্পারগুলোর লাগামহীন দাপটের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি ? এলাকাবাসীর ক্ষোভ উগরে পড়ে। তাঁদের অভিযোগ, কোনও নিয়ম মানে না এই ডাম্পারগুলি। জনবহুল রাস্তায় যেন মৃত্যুর মিছিল চালাচ্ছে তারা। অথচ যাদের দায়িত্ব ছিল এই যানবাহনের উপর নজরদারি করা, গতি নিয়ন্ত্রণ করা, মানুষের জীবন রক্ষা করা—তাঁদের যেন কোনও দায় নেই। প্রশাসনের নীরবতা আর উদাসীনতাই বারবার এমন মৃত্যুকে ডেকে আনছে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুর ফরিদপুর থানার পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। শোকের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষজন। তাঁদের প্রশ্ন—আর কতজনের রক্তে ভিজবে এই রাস্তা? আর কত পরিবার এভাবে সর্বস্ব হারাবে ? ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু শোকার্ত পরিবারের চোখে একটাই প্রশ্ন—এই আশ্বাস কি পরিতোষকে ফিরিয়ে দেবে? নাকি আরও একবার সব ভুলে যাওয়া হবে ? নিয়মহীন রাস্তায়, দায়িত্বহীন প্রশাসনের ছত্রছায়ায় বেপরোয়া ডাম্পারগুলো যেন প্রতিদিন মৃত্যুকে বহন করে নিয়ে চলেছে। আর তার বলি হচ্ছেন পরিতোষের মতো নিরীহ মানুষরা।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
