শান্তিনিকেতনে শুরু ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
বোলপুর : মঙ্গলবার ভোরের আলো ফুটতেই শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী পৌষ উৎসব ও পৌষ মেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’-এর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শান্তিনিকেতনে। বিশ্বভারতীর রীতিনীতি মেনে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী ছাতিমতলা প্রাঙ্গণে রবীন্দ্রসঙ্গীত, ব্রহ্ম উপাসনা ও বৈদিক মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসব। সকাল সাড়ে ছটায় ছাতিমতলায় শুভ সূচনা হয় পৌষ উৎসবের। পরে মেলা প্রাঙ্গণে বাউল মঞ্চে প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে শুরু হয় পৌষ মেলা, যা চলবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত—মোট ছয় দিন। এই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ, বিশ্বভারতীর অধিকর্তা অমিত হাজরা, অধ্যাপক সুমন ভট্টাচার্য, বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ-সহ বিশ্বভারতীর অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, কর্মী, শিক্ষার্থী ও আশ্রমিকেরা। দেশ-বিদেশের বহু পর্যটকের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে শান্তিনিকেতন চত্বর। এ বছর শান্তিনিকেতনে পালিত হচ্ছে ১৮২তম পৌষ উৎসব। ঐতিহাসিকভাবে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণের স্মৃতিতে এই পৌষ উৎসবের সূচনা করেছিলেন। সেই সময় থেকেই এটি শান্তিনিকেতনের এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরম্পরায় পরিণত হয়েছে।
মেলা উপলক্ষে বোলপুর ও শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ১,৭০০টি স্টলের প্লট বুক হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্লাস্টিক বর্জন নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। জানা গিয়েছে দমকলের সুবিধার জন্য মাঠে অতিরিক্ত জায়গা রাখা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা মাথায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ছয় দিন ধরে মেলা প্রাঙ্গণের বিনোদন মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা। শান্ত, স্নিগ্ধ পরিবেশে আয়োজিত এই পৌষ উৎসব ও মেলা শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিল।
মেলা উপলক্ষে বোলপুর ও শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ১,৭০০টি স্টলের প্লট বুক হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্লাস্টিক বর্জন নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। জানা গিয়েছে দমকলের সুবিধার জন্য মাঠে অতিরিক্ত জায়গা রাখা হয়েছে এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা মাথায় রেখে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ছয় দিন ধরে মেলা প্রাঙ্গণের বিনোদন মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যবস্থা। শান্ত, স্নিগ্ধ পরিবেশে আয়োজিত এই পৌষ উৎসব ও মেলা শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিল।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
