মঞ্চে উঠে লগ্নজিতাকে হেনস্থার অভিযোগ
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
পূর্ব মেদিনীপুর : সংগীতশিল্পী লগ্নজিতাকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক, গ্রেফতার স্কুল মালিক। স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুললেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী লগ্নজিতা। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুরে। অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চে উঠে এক আয়োজক তাঁকে হেনস্থা করেন এবং মারধরের চেষ্টাও করেন।জানা গেছে, একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করছিলেন লগ্নজিতা। সেই সময় তিনি “জাগো মা” গানটি গাইতে শুরু করতেই আপত্তি জানান অনুষ্ঠানের আয়োজক সংস্থার মালিক তথা ওই স্কুলের মালিক মেহবুব মল্লিক। অভিযোগ, তিনি জোর করে অন্য গান গাওয়ার দাবি জানান। লগ্নজিতা সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।লগ্নজিতার অভিযোগ, গান চলাকালীন আচমকাই ওই আয়োজক মঞ্চে উঠে পড়েন এবং সকলের সামনে তাঁকে অপমান করেন। শুধু মৌখিক হেনস্থাই নয়, মারধরের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন শিল্পী। অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে তিনি সরাসরি ভগবানপুর থানায় যান অভিযোগ জানাতে।লগ্নজিতার আরও অভিযোগ, থানায় পৌঁছে অভিযোগ জানাতে গিয়েও তাঁকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। প্রথমে পুলিশ অভিযোগ নিতে গড়িমসি করে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিল্পী।দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর শেষমেশ তাঁর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। এই ঘটনার পরই পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ ঘিরে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।গোটা বিষয়টি নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিথুন কুমার দে ফোনে জানান,“ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন অভিযোগ নিতে দেরি হলো, তার তদন্ত শুরু করেছেন জেলা পুলিশ আধিকারিকরা। দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”তিনি আরও জানান, শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্ত স্কুল মালিক মেহবুব মল্লিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে ভগবানপুর থানার পুলিশ। শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর,গ্রেফতার অভিযুক্তকে আজই কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হবে।একজন মহিলা শিল্পীর সঙ্গে এই ধরনের আচরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাধীনভাবে গান গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শিল্পীমহলে। অনেকেই এই ঘটনাকে শিল্পীর স্বাধীনতার উপর আঘাত বলে উল্লেখ করছেন।সব মিলিয়ে, ভগবানপুরের এই ঘটনা শুধু একটি হেনস্থার অভিযোগেই সীমাবদ্ধ নয়—এর সঙ্গে জুড়ে গেছে প্রশাসনিক দায়িত্ব, পুলিশের ভূমিকা এবং শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন। তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতির দিকেই এখন নজর সকলের।
এই ঘটনায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন শিল্পী। অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে তিনি সরাসরি ভগবানপুর থানায় যান অভিযোগ জানাতে।লগ্নজিতার আরও অভিযোগ, থানায় পৌঁছে অভিযোগ জানাতে গিয়েও তাঁকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। প্রথমে পুলিশ অভিযোগ নিতে গড়িমসি করে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শিল্পী।দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর শেষমেশ তাঁর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। এই ঘটনার পরই পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ ঘিরে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।গোটা বিষয়টি নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিথুন কুমার দে ফোনে জানান,“ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন অভিযোগ নিতে দেরি হলো, তার তদন্ত শুরু করেছেন জেলা পুলিশ আধিকারিকরা। দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”তিনি আরও জানান, শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্ত স্কুল মালিক মেহবুব মল্লিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে ভগবানপুর থানার পুলিশ। শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে খবর,গ্রেফতার অভিযুক্তকে আজই কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হবে।একজন মহিলা শিল্পীর সঙ্গে এই ধরনের আচরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাধীনভাবে গান গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শিল্পীমহলে। অনেকেই এই ঘটনাকে শিল্পীর স্বাধীনতার উপর আঘাত বলে উল্লেখ করছেন।সব মিলিয়ে, ভগবানপুরের এই ঘটনা শুধু একটি হেনস্থার অভিযোগেই সীমাবদ্ধ নয়—এর সঙ্গে জুড়ে গেছে প্রশাসনিক দায়িত্ব, পুলিশের ভূমিকা এবং শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন। তদন্তের পরবর্তী অগ্রগতির দিকেই এখন নজর সকলের।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
