তাঁতীপাড়া নাম থাকলেও তাঁতি আজ একটাই পরিবার !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
পূর্ব বর্ধমান : বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের বড়শুল থানার অন্তর্গত বৈকণ্ঠপুর দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন নান্দুর গ্রাম। এক সময় এই গ্রাম পরিচিত ছিল ‘তাঁতীপাড়া’ নামে। গ্রামে ঢুকলেই কানে ভেসে আসত তাঁত বোনার ছন্দময় আওয়াজ, আর সেই আওয়াজেই জীবিকা নির্বাহ করতেন গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবার।কিন্তু কালের বিবর্তনে আজ সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তাঁতীপাড়া নাম থাকলেও গ্রামে এখন আর তাঁতির দেখা মেলে না। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় সকলেই। জীবিকার তাগিদে কেউ পাড়ি দিয়েছেন ভিন রাজ্যে, কেউ আবার যুক্ত হয়েছেন অন্য পেশায়।
নান্দুর গ্রামে বর্তমানে মাত্র একটি গুঁই পরিবার এখনও তাঁত শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। তবে তারাও বাধ্য হয়ে বদল আনছেন পেশায়। লাভের মুখ না দেখায়, কাঁচামালের অভাব ও আর্থিক সংকটের কারণে তারা এখন ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী তাঁত বুনন ছেড়ে খাদির জামা তৈরির দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয় তাঁতিরা জানাচ্ছেন, তাঁত বোনার জন্য যে সুতো ও অন্যান্য কাঁচামাল প্রয়োজন, তা সহজে পাওয়া যায় না। পাশাপাশি উৎপাদিত সামগ্রীর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় এই পেশায় টিকে থাকা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে একের পর এক পরিবার বাধ্য হয়েছে এই শিল্প ছেড়ে বেরিয়ে আসতে। যে গ্রামে এক সময় তাঁতের ঘুটঘুট শব্দে মুখর থাকত সকাল-সন্ধ্যা, সেই গ্রাম আজ নিস্তব্ধ। তাঁতীপাড়া নাম থাকলেও বাস্তবে সেখানে তাঁত শিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে। ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে মাত্র একটি পরিবার—তাদের হাত ধরেই এখনও কোনও মতে টিকে আছে নান্দুর গ্রামের তাঁত শিল্পের শেষ চিহ্ন।
নান্দুর গ্রামে বর্তমানে মাত্র একটি গুঁই পরিবার এখনও তাঁত শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। তবে তারাও বাধ্য হয়ে বদল আনছেন পেশায়। লাভের মুখ না দেখায়, কাঁচামালের অভাব ও আর্থিক সংকটের কারণে তারা এখন ধীরে ধীরে ঐতিহ্যবাহী তাঁত বুনন ছেড়ে খাদির জামা তৈরির দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয় তাঁতিরা জানাচ্ছেন, তাঁত বোনার জন্য যে সুতো ও অন্যান্য কাঁচামাল প্রয়োজন, তা সহজে পাওয়া যায় না। পাশাপাশি উৎপাদিত সামগ্রীর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় এই পেশায় টিকে থাকা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে একের পর এক পরিবার বাধ্য হয়েছে এই শিল্প ছেড়ে বেরিয়ে আসতে। যে গ্রামে এক সময় তাঁতের ঘুটঘুট শব্দে মুখর থাকত সকাল-সন্ধ্যা, সেই গ্রাম আজ নিস্তব্ধ। তাঁতীপাড়া নাম থাকলেও বাস্তবে সেখানে তাঁত শিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে। ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে মাত্র একটি পরিবার—তাদের হাত ধরেই এখনও কোনও মতে টিকে আছে নান্দুর গ্রামের তাঁত শিল্পের শেষ চিহ্ন।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
