বৌমাকে হাঁসুয়ার কোপ ভাসুরের !
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
নদীয়া : শান্তিপুর থানার বাইগাছি সেনপাড়া ইটভাটা এলাকায় মঙ্গলবার ভোরে ঘটে গেল এক রোমহর্ষক ঘটনা। ঘুমের ব্যাঘাত, এরকমই সামান্য কারণ থেকে ভয়াবহ নৃশংসতায় ফেটে পড়ল পারিবারিক অশান্তি। অভিযোগ, ধারালো হাসুয়া হাতে নিয়ে বৌমা কমলা বিশ্বাসকে এলোপাথাড়ি কোপ মারেন তাঁর ভাসুর সুব্রত বিশ্বাস।কমলা দেবীর চিৎকারে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়া কমলাকে উদ্ধার করতেই হাতেনাতে ধরা পড়ে সুব্রত। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা তাঁকে গাছে বেঁধে রেখে খবর দেন শান্তিপুর থানায়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সুব্রতকে আটক করে নিয়ে যায়। গুরুতর জখম কমলাকে প্রথমে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি কৃষ্ণনগরে রেফার করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মাথা ও পিঠে ধারালো দায়ের কমপক্ষে চার–পাঁচটি গভীর কোপ লেগেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর—কমলার স্বামী সুশান্ত বিশ্বাস কাজে কলকাতা চলে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ছিলেন না শাশুড়িও। অসুস্থ শিশুর সারারাত কান্নাকাটি ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় পাশের ঘরে থাকা ভাসুর সুব্রত ক্ষিপ্ত হন। ভোরে ভাই কাজে বেরিয়ে যেতেই আরো চড়ে ওঠে তাঁর ক্রোধ—আর সেই ক্রোধই বৌমার উপর নেমে আসে ভয়ানকভাবে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। কেন এমন ভয়াবহ হামলা? শুধুই কি ঘুমের ব্যাঘাত, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও কোনো চিরকালীন পারিবারিক বিবাদ? পুলিশ প্রতিবেশীদের বয়ান সংগ্রহ করে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে। গুরুতর জখম ওই মহিলা অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ সুব্রতকে আটক করে নিয়ে যায়। গুরুতর জখম কমলাকে প্রথমে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি কৃষ্ণনগরে রেফার করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মাথা ও পিঠে ধারালো দায়ের কমপক্ষে চার–পাঁচটি গভীর কোপ লেগেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর—কমলার স্বামী সুশান্ত বিশ্বাস কাজে কলকাতা চলে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ছিলেন না শাশুড়িও। অসুস্থ শিশুর সারারাত কান্নাকাটি ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায় পাশের ঘরে থাকা ভাসুর সুব্রত ক্ষিপ্ত হন। ভোরে ভাই কাজে বেরিয়ে যেতেই আরো চড়ে ওঠে তাঁর ক্রোধ—আর সেই ক্রোধই বৌমার উপর নেমে আসে ভয়ানকভাবে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। কেন এমন ভয়াবহ হামলা? শুধুই কি ঘুমের ব্যাঘাত, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও কোনো চিরকালীন পারিবারিক বিবাদ? পুলিশ প্রতিবেশীদের বয়ান সংগ্রহ করে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছে। গুরুতর জখম ওই মহিলা অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।
Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram
